সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

কুরআনের আলোয় হৃদয় বদল, মা-বাবার পর ইসলামের ছায়ায় জার্মান কিশোরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুরআনের আলো ও ইসলামের সৌন্দর্য হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ায় তুরস্কে এক জার্মান পরিবারের তিন সদস্য ইসলাম গ্রহণ করেছেন। প্রথমে বাবা, এরপর মা এবং সর্বশেষ ১২ বছর বয়সী মেয়ে মিয়া জাস্টিন শোম্বস ইসলাম গ্রহণ করায় পরিবারটির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

তুরস্কের টোকাট শহর থেকে আসা এ হৃদয়ছোঁয়া ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। ঘটনাটি যেন আরও একবার মনে করিয়ে দেয়—সত্যের সন্ধানে হৃদয় উন্মুক্ত হলে কোরআনের আলো মানুষের জীবনকে নতুন পথে পরিচালিত করতে পারে।

জানা যায়, শোম্বস পরিবার ২০২৩ সালে জার্মানি থেকে তুরস্কের টোকাট শহরে এসে বসবাস শুরু করে। পরিবারের কর্তা ম্যাথিয়াস জর্জ শোম্বস প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরে তার স্ত্রী ম্যান্ডিও ইসলামের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে মুসলিম হন।

এরপর পরিবারের ১২ বছর বয়সী মেয়ে মিয়া জাস্টিন শোম্বসের সামনে ইসলামকে কাছ থেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়। তুরস্কে ভাষাজ্ঞান আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যে তাকে গ্রীষ্মকালীন একটি কোরআন কোর্সে ভর্তি করা হয়েছিল।

কিন্তু সেই কোর্স মিয়ার জীবনে হয়ে ওঠে আরও বড় পরিবর্তনের সূচনা। ভাষা শেখার পাশাপাশি সে আরবি বর্ণমালা শেখে, কোরআন মাজিদ পড়তে শুরু করে এবং ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারে। ধীরে ধীরে কোরআনের শিক্ষা ও ইসলামের সৌন্দর্য তার হৃদয় স্পর্শ করে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলাম সম্পর্কে কাছ থেকে জানার পর মিয়া নিজের ইচ্ছাতেই ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর সে কালেমা পড়ে মুসলিম হয়। এভাবে একই পরিবারের বাবা, মা ও ১২ বছর বয়সী মেয়ের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা পূর্ণতা পায়।

টোকাটের মুফতির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টেও পরিবারটির ইসলাম গ্রহণের ঘটনা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

জার্মানি থেকে তুরস্কে আসা, এরপর কোরআনের সংস্পর্শে এসে ইসলামের শিক্ষা জানা এবং শেষ পর্যন্ত পরিবারের ১২ বছর বয়সী কন্যারও স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ—পুরো ঘটনাটি সত্যের সন্ধানী হৃদয়ের জন্য এক অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা হয়ে উঠেছে।

কোরআনের শিক্ষা ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ যে মানুষের হৃদয়ে শান্তি, বিশ্বাস ও সত্যের অনুভূতি জাগাতে পারে—মিয়া ও তার পরিবারের ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি তারই এক আবেগঘন দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে এসেছে। সূত্র: ইউএনএ নিউজ

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ