শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক পুনর্জাগরণে গড়ে উঠতে পারে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র: ড. খালিদ হোসেন রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু মক্কায় ড্রোন ধ্বংসের দাবি, সৌদিকে মিথ্যাচারের অভিযোগ হুথিদের  তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়ায় পাহাড়ধসে ৩ জনের মৃত্যু সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন  যাত্রাবাড়ীতে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘এলভান্ট’-এর নতুন আউটলেট উদ্বোধন  জুমার জামাতে ঐক্য, সমাজে বিভেদের দেয়াল জুমার আজানের পর বেচাকেনার বিধান কী? মাওলানা আরশাদ মাদানীর স্বাস্থ্য নিয়ে ‘উদ্বেগের কারণ নেই’ বিনামূল্যে আস-সুন্নাহর মোবাইল ও মোটরসাইকেল সার্ভিসিং সেবা পেয়েছেন ৩৩০০ জন

মাওলানা আরশাদ মাদানীর স্বাস্থ্য নিয়ে ‘উদ্বেগের কারণ নেই’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের প্রখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ আরশাদ মাদানীর শারীরিক অবস্থার মেডিকেল রিপোর্ট সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা। তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ আশ্বস্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

মাওলানা সাইয়েদ আরশাদ মাদানী ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম, হাদিসবিশারদ ও ইসলামি চিন্তাবিদ। তাঁর পিতা শায়খুল ইসলাম মাওলানা সৈয়দ হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী আলেম ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাবেক সভাপতি।

শৈশবে পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার পর তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে উচ্চতর ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে তাঁর শিক্ষাজীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষকতা ও ইসলামি শিক্ষার প্রসারে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৮২ সালে দারুল উলুম দেওবন্দে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৪ সালে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সাংগঠনিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়। ২০০৬ সালে তিনি সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর থেকে তিনি ভারতের মুসলিম সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

ধর্মীয় শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি গ্রন্থ রচনা, সম্পাদনা এবং মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অবদান রয়েছে। তিনি কোরআনের হিন্দি ভাষায় তাফসির প্রণয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি গ্রন্থ সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মাদানি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। এ ট্রাস্টের মাধ্যমে ধর্মীয় পরিবেশে আধুনিক শিক্ষা বিস্তার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন।

এসএইচ/  


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ