বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

প্রতিদিন কিশমিশ খেলে নারীদের যে উপকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আঙুর শুকিয়ে তৈরি হয় কিশমিশ। আকারে ছোট হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, বিশেষ করে নারীদের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয় এই ফলকে। আয়রন থেকে শুরু করে ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে এই ফলে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কিশমিশকে ‘সুপারফুড’ বলে মনে করেন। তারা বিশ্বাস করেন যে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিশমিশ খেলে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়, হজমশক্তি উন্নত হয় এবং রক্তাল্পতা কমে আসে। 

ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কিশমিশে চিনি থাকে, তবে এটি ধীরে ধীরে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়, তাই সীমিত পরিমাণে খেলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি নিরাপদ হতে পারে।

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশমিশে আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।

যদি এগুলো সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খাওয়া হয়, তাহলে এটি পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে এবং পেটও পরিষ্কার রাখে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, কিশমিশ আয়রনের একটি চমৎকার উৎস, যা শরীরের রক্তাল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। এটি নারীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।

ঋতুস্রাবের সময় আয়রনের ঘাটতি বা অন্যান্য সমস্যার সম্মুখীন নারীদের জন্যও কিশমিশ খাওয়া উপকারী।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন ১০-১২টি কিশমিশ খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ক্লান্তি ও দুর্বলতার মতো সমস্যা কমে। কিশমিশে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থও থাকে, যা হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তচাপকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

কিশমিশে উপস্থিত ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল রাখে। এটি বলিরেখা ও দাগ কমায়। এ ছাড়া কিসমিসে উপস্থিত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও জিঙ্ক চুল মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। কিশমিশে থাকা ক্যালসিয়াম ও বোরনের মতো উপাদান হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

সূত্র : নিউজ ১৮

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ