নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর, কুমিল্লার আধ্যাত্মিক রাহবার ও দেশের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি শায়খুল হাদিস পীরে কামেল আল্লামা নূরুল হক (বটগ্রামের হযরত)-এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগরী।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক যৌথ শোকবার্তায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি ডা. মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মজুমদার গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামী হযরতের ইন্তেকাল এ দেশের দ্বীনি অঙ্গন, বিশেষত কুমিল্লার উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা এমন একজন শ্রদ্ধাভাজন মুরুব্বি, দ্বীনি অভিভাবক ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শককে হারালাম, যাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। ইলমে দ্বীনের খিদমত এবং সাধারণ মানুষ ও উলামায়ে কেরামের প্রতি তাঁর স্নেহশীল দিকনির্দেশনা তাঁকে সর্বমহলে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিল।’
নেতৃবৃন্দ আরও জানান যে, জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল নামে এবং সেই বিপুল জনস্রোতের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগরীর পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বিশেষ দায়িত্ব পালন করা হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা মহানগরীর নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মরহুম বটগ্রামী হযরত ছিলেন যেকোনো দ্বীনি ও ইসলামি কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদানকারী অভিভাবক। তাঁর মূল্যবান উপদেশ ও পরামর্শ সংগঠনের পথচলাকে সর্বদা সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর প্রয়াণে কুমিল্লাবাসী তথা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ একজন প্রকৃত অভিভাবক হারিয়ে গভীরভাবে শোকাহত।’
নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে আকুল ফরিয়াদ জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা যেন প্রবীণ এই আলেম ও বুজুর্গের জীবনের সকল ইলমি ও দ্বীনি খিদমত কবুল করেন, তাঁর ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউসের আলা মাকাম নসীব করেন। একই সাথে শোকাহত পরিবার, শিষ্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই কঠিন শোক সহ্য করার এবং ‘সবরে জামিল’ এখতিয়ার করার তাওফিক দান করেন।’
আইও/