বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ইস্তাম্বুলে তৃতীয় বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

তুরস্কের ইস্তাম্বুল ফাইন্যান্স সেন্টারে তৃতীয় বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতি সম্মেলন (গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমি সামিট) রোববার (৭ জুন) সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্সির পৃষ্ঠপোষকতায় এবং আলবারাকা সামিট সিরিজের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে ইসলামি অর্থনীতি, ওয়াকফ ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। সম্মেলনের বৈশ্বিক যোগাযোগ অংশীদার ছিল আনাদোলু এজেন্সি।

সম্মেলনে আলবারাকা ইসলামিক ইকোনমিকস ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ সালেহ কামেল ইসলামি অর্থনীতিতে মূলধনের সঠিক ভূমিকা নির্ধারণে কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ইসলামি অর্থনৈতিক কাঠামো মূলধনকে শুধু সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমই নয়, বরং কল্যাণমুখী সামাজিক পুঁজিতে রূপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি করে।

ওয়াকফ ব্যবস্থার উন্নয়নে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার প্রশংসা করে কামেল বলেন, এসব দেশের অভিজ্ঞতা অন্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য অনুসরণীয় হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াকফের উন্নয়নমূলক ভূমিকা প্রতিদিনই বাড়ছে এবং এটি শতাব্দীব্যাপী ইসলামি সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাধিকার।

অন্যদিকে সৌদি আরবের রাজকীয় দরবারের উপদেষ্টা, সিনিয়র আলেম পরিষদের সদস্য এবং মসজিদুল হারামের ইমাম সালেহ বিন আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ ইসলামী অর্থনীতির মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, সম্পদ নিয়ে আলোচনা কেবল ধন-সম্পদ সঞ্চয় বা সংখ্যাগত প্রবৃদ্ধির বিষয় নয়; বরং উম্মাহর সভ্যতাগত শক্তি বৃদ্ধি, সামাজিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন এবং মানবিক মর্যাদা রক্ষার সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

তিনি আরও বলেন, ইসলামি ব্যাংক শুধু অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না; বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালন করা উচিত। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ