শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

 পুলিশ সদস্যকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রদল নেতা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহিত

 

পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রদল নেতারা। তার ফুটেজ আমাদের কাছে আছে’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে এ কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনারা দেখেছেন, একজন পুলিশ সদস্যকে কীভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের ছোড়া ঢিলে যখন ওই পুলিশ সদস্য নিচে পড়ে যান তখন একদল ছাত্রদল নেতা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। পুরো ঘটনার ছবি আমাদের কাছে আছে। শুধু পিটিয়েই নয়, চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তার মাথা ক্ষত বিক্ষত করেছে। পরবর্তীতে ওই পুলিশ সদস্য ইন্তেকাল করেছেন। এ দৃশ্য সবার মনে দাগ কেটেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুরো পরিস্থিতি পুলিশ অনেক ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। বৃষ্টির মতো তারা ইটপাটকেল ছুঁড়েছে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। ক্ষণে ক্ষণে ঢিল মারছিল। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে, এমন তথ্য আমাদের কাছে আগেই ছিল। আমাদের পুলিশ বাহিনী চরম ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আগুন লাগিয়ে দেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের ছোটবড় স্থাপনায় আগুন দেয়। এছাড়া কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় আগুন দেয়। জাজেজ কমপ্লেক্সে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিল তারা ১০ লাখ লোক সমাবেশে আনবে। তাদের (বিএনপি) সমাবেশ প্রধান বিচারপতির বাসভবন পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। ঘটনার সূত্রপাত সেখানে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল যাচ্ছিল ওই মিছিলে বিএনপি হামলা করে। শুধু হামলা করেই বিএনপি ক্ষান্ত হয়নি তারা দুটি পিকআপে আগুন দেয়। এরপর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ঢুকে পড়ে। এ সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে না। পুলিশ আইনানুযায়ী তাদের কাজ করেছে। তাদের সরিয়ে দিয়েছে।’

২০১৪ সালে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি করেছিল সেই পরিস্থিতি আবারও করার পায়তারা করেছে বিএনপি এমন মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি হরতাল ডেকেছে। তারা গাড়ি-বাস পুড়িয়েছে। যে-ই গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করবে গাড়ি ভাঙচুর করবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো আমরা।’ এ সময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআই/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ