শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিশিষ্ট বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর মনোনয়নপত্র বাতিল গুলশান আজাদ মসজিদে মায়ের দোয়া মাহফিলে তারেক রহমান নির্বাচনে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ আল্লাহ স্বাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি: হাসনাত ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে সাহাবাদের চরিত্র দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে’ ৭২ বছর ইমামতি, ‘শেষ খুতবা’র পর আবেগঘন বিদায় নিলেন মাওলানা আবদুল হক শহীদ হাদির নাম এখন আর বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়: নৌ উপদেষ্টা মুফতি আমির হামজার আয় কত, জানা গেল হলফনামায় এই দেশ সব ধর্মের মানুষের: ধর্ম উপদেষ্টা ৪ ডিগ্রিতে নামতে পারে দেশের তাপমাত্রা

আ. লীগের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রার্থী বাছাই করছে ইসি: রিজভী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‌‘অবৈধ সরকারের গৃহপালিত নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রার্থী বাছাই করে দিচ্ছে। কোন আসনে কে নির্বাচন করবে তাও ঠিক করে দিচ্ছে কমিশন। সেখানে যাকে রাখার দরকার তাকে রেখে বাকিদের মনোনয়ন বাতিল করছে। মূলত একতরফা নির্বাচনের নামে দেশে চরম তামাশা চলছে।’

সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা ও তফসিল বাতিলের দাবিতে নবম দফায় ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আজ সোমবার উত্তরায় মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ৭টার দিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে অবরোধের সমর্থনে মিছিল হয়। উত্তরা ৪নং সেক্টরের পার্কের উত্তর দিক থেকে শুরু হয়ে ঢাকা গাজীপুর প্রধান সড়কে এসে মিছিলটি শেষ হয়।  

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, উত্তরের আহ্বায়ক পেয়ারী মোস্তফা, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট রুনা, মহিলা দল নেত্রী জাকিয়া সুলতানা, পারভিন, নাজমা শিকদার, তামান্না, তহমিনা প্রমুখ।

সরকারের উদ্দেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জাতির সঙ্গে নির্বাচনের নামে প্রহসন বন্ধ করুন। অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। তা না হলে জনগণ আপনাদের ছাড়বে না। ’

তিনি আরও বলেন, সাজানো এক তরফা নির্বাচনের নামে দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। দেশ ধ্বংস হয় হোক সেদিকে শেখ হাসিনার কোনো মাথা ব্যথা নেই। আজকে দেশের উৎপাদনমুখী সব সেক্টর চরম হুমকিতে পড়েছে। আমদানি রপ্তানি প্রায় বন্ধ। লুটপাটের কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ এখন দিশেহারা। শাকসবজি থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্য এখন মাুনষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। গরিব মানুষগুলো একবেলা পেট ভরে খেতে পারছে না। অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে তারা। এ অভুক্ত জনগণের রোষানল থেকে আপনারা বাঁচতে পারবেন না।’

এমএইচ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ