মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকায় ‘বিশ্ব আল-কুদস সপ্তাহ’ শুরু অভিযানে বিএনপি নেতার মৃত্যু নিয়ে যা বলছে সেনাবাহিনী মজুদকারীদের উদ্দেশে মাওলানা আজহারীর কড়া বার্তা পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি তাপমাত্রা নিয়ে নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ চালু করছে সরকার বাংলাদেশি আলেমের হাতে অন্তিম মুহূর্তে হাসপাতালে কোরিয়ান বৃদ্ধের ইসলাম গ্রহণ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে: প্রধান উপদেষ্টা সরকারবিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান

দেড় মাসের মধ্যে শেখ হাসিনার বিচার শুরু হতে পারে : চিফ প্রসিকিউটর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চলতি মাসেই শেখ হাসিনাসহ প্রধান প্রধান কয়েকটি মামলার তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার যাবে বলে প্রত্যাশা করেন মানবতাবিরোধী ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিবেদন হাতে পেলে এক থেকে দেড় মাসের মাথায় বিচার কাজ শুরু করা সম্ভব।

শনিবার (১ মার্চ) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার, পরিবেশগত সমস্যা ও আইন প্রয়োগের গুরুত্ব শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, যা আওয়ামী লীগ সরকার স্বাক্ষরিত। এই চুক্তি অনুযায়ী ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর বলা যাবে, কত দিন সময় লাগবে। কারণ যে নথিগুলো আছে, ডিজিটাল এভিডেন্স, লাইভ এভিডেন্স, ডকুমেন্টারি এভিডেন্স আছে এবং দুই পক্ষের সাক্ষীর ব্যাপার আছে; আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন কত দিন সময় তারা নেবেন। ট্রাইব্যুনালের বিচার বিরতিহীন চলবে, আমাদের দিক থেকে যত দ্রুত সম্ভব বিচার চাইব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড—ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেই সেটা করতে হবে।

বিস্তৃত ৫৬ হাজার বর্গমাইলজুড়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটা সাধারণ একটা খুনের মামলা নয়, একটা গুলি বর্ষণের মামলা নয়। এটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। এটার বিস্তৃতি ৫৬ হাজার বর্গমাইল। দুই হাজারের মতো মানুষ শহীদ হয়েছেন। ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সব আহত ও শহীদ পরিবার কিন্তু ট্রাইব্যুনালে আসছেন না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমরা গণশুনানির আয়োজন করেছি। আহতদের কাছে যাচ্ছি, তাদের বোঝাচ্ছি, আপনাদের কাছে যে তথ্য আছে সেগুলো দেন। এই যে বিস্তৃত কাজ, এগুলো সংকলন করে একটি নিখুঁত তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করাএ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার জন্য পরাজিত দোসররা নানাভাবে চেষ্টা করবে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ