রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮


কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী, বাড়তি কোটা চাইবে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৭ সালের পবিত্র হজে নির্ধারিত কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী হজ পালনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এর সঙ্গে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় ১৩ হাজার ‘আনপেইড ভাউচার’ যোগ হওয়ায় কোটার অতিরিক্ত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত হজযাত্রীদের সুযোগ দিতে সৌদি আরবের কাছে বাড়তি কোটা চাওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ২০২৭ সালের হজের চূড়ান্ত নিবন্ধনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৫৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ৮৬৪ জনসহ মোট ৭৫ হাজার ৯১৮ জন হজযাত্রী চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে বর্তমানে ২ হাজার ৫৮২টি আসন খালি রয়েছে।

তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ হাজার ‘আনপেইড ভাউচার’ রয়েছে। শনিবার এসব ভাউচারের বিপরীতে অর্থ জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থ জমা হলে চূড়ান্ত নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা নির্ধারিত কোটার কাছাকাছি বা তা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত কোটার বাইরে ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী হজ পালনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। আনপেইড ভাউচারের অর্থ পরিশোধের পর কোটার অতিরিক্ত হজযাত্রীর প্রকৃত সংখ্যা আরও স্পষ্ট হবে।

বাংলাদেশের জন্য ২০২৭ সালের হজে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। গত ২৭ জুলাই চূড়ান্ত নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবারের পর হজের নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। প্রাক্-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যাকেজের সাড়ে ৩ লাখ টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার বিমান ভাড়া কমানোসহ হজযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় এবার হজ পালনে আগ্রহ বেড়েছে। ফলে নির্ধারিত কোটার বাইরেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ হজ পালনের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

তবে সৌদি আরবের অনুমোদন ছাড়া কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী নিবন্ধন করা হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। বাড়তি কোটা পাওয়ার বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নভেম্বরে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের হজ চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই চুক্তির আলোচনায় হজের কোটা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। অতিরিক্ত আগ্রহী হজযাত্রীদের সুযোগ দিতে কতটি বাড়তি কোটা প্রয়োজন, তা নিয়ে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপর সৌদি আরবের কাছে বাড়তি কোটা চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ