বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন মুফতী ফয়জুল করীম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বরিশাল সিটি মেয়র পদে বিজয়ী ঘোষণার দাবিতে আদালতে যে আবেদন করেছে সে ব্যাপারে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ মে) বেলা ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। আগামী ৫ মে বরিশাল নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে মেয়র নির্বাচনসংক্রান্ত শুনানিকে সামনে রেখে তিনি সংবাদ সম্মেলনে আসেন।
 
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, আমরা চাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। বিচার বিভাগ যেন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। তাই আগামী ৫ মে আদালত চত্বরে বা রাস্তায় ভিড় না করার জন্য আমি নাগরিকদের অনুরোধ জানাই। 

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল বাতিল করে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তাকেই বিজয়ী ঘোষণার দাবিতে গত ১৭ এপ্রিল বরিশাল নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে একটি আবেদন করেন।

ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামেও এমন ধরনের মামলার পর আদালত পরাজিত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে। সে প্রেক্ষিতেই আমরা ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। ২০২৩ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

মুফতি ফয়জুল করিম অভিযোগ করেন,ভোটের আগেই ইভিএমে ৩০% ভোট কাউন্ট করে রাখা হয়েছিল নৌকার পক্ষে। আমি নিজেও হামলার শিকার হয়েছি। আমাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, মারধর করা হয়েছে। ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ৮৭ নম্বর কেন্দ্র সাবেরা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ে আমাকে গুরুতর আহত করা হয়। আমি তখন অভিযোগ করলেও পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা আমাকে কোনো রিসিভড কপি দেননি।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, নির্বাচন বাতিল নয়, জনগণের ভোটের প্রতিফলন চাই। হাতপাখার পক্ষে বিপুল ভোট ছিল, কিন্তু প্রশাসন ও সরকারি বাহিনীর সহায়তায় তা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে, যা জনতার রায়কে অপমান করে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ