বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ভারতকে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বন্ধ করতে হবে: ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতকে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবুল কাশেম।

বুধবার (৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম বলেন, ভারত মনে করেছে বাংলাদেশের মানুষের উপর হামলা করলে যেহেতু কিছু হয় না, পাকিস্তানে আক্রমন করলেও কিছু হবে না। 

ভারতের মুসলমানদের ওপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েও পার পেয়ে যাচ্ছে। এজন্য ভারত বেপরোয়া হয়ে গভীররাতে পাকিস্তানে কাপুরোষিত হামলা করে বেসামরিক ১৫জন মুসলমানকে হত্যা করে নিজেদের অত্যন্ত বর্বর ও অসভ্য জাতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। 

মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধ করছে না বিএসএফ। দু’দেশের সরকার প্রধান ও বিজিবি-বিএসএফয়ের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার চলছেই বিএসএফয়ের। ভারত মুসলমানদেরকে থোরাই কেয়ার করছে। কিন্তু ভারত জানে না তারা একঘরে হয়ে যাচ্ছে মুসলমানদের উপর প্রশাসনের সহায়তায় হামলার কারণে।

তিনি বলেন, ভারত অত্যন্ত নিমকহারাম জাতি। ভারত উপমহাদেশ মুসলমান শাসকগণ সাড়ে আটশত বছর শাসন করেছে। মুসলিম শাসকগণ চাইলে হিন্দুমুক্ত ভারতবর্ষ প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন। এখন ভারত ধরাকে শরা জ্ঞান করে মুসলিম নিধনে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভারতকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বন্ধ করতে হবে।

ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতা বলেন, ভারত যদি মুসলমানদের উপর জুলুম নির্যাতন ও বর্বরতা বন্ধ না করে অচীরেই ভারতে টুকরা টুকরা হয়ে যাবে। এই ভাঙ্গন কেউ রোধ করতে পারবে না। এ জন্য ভারতের উগ্রপন্থি হিন্দু সন্ত্রাসীদের মুসলমানদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা, নির্যাতন, জুলুম বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় বিশ্বব্যাপী ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠলে ভারতের আখের রক্ষা হবে না।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ