বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে কওমি মাদরাসা ২৫ হাজার, শিক্ষার্থী প্রায় ৭০ লাখ হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

কুড়িগ্রামের চার আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে প্রার্থী ঘোষণা করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এবার কুড়িগ্রাম জেলার চারটি আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শনিবার (২১ জুন) বিকেলে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর প্রার্থীদের পরিচিত করিয়ে দেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির ও শায়খে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আলহাজ হারিছুল বারী রনি।

কুড়িগ্রাম-২ (সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট) আসনে কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নূর বখতকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে ডা. মো. আক্কাস আলী সরকার পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

আর কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী,রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমানকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন।

প্রার্থীদের নাম ঘোষণা শেষে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে হাতপাখা মার্কার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে আগামী সংসদ নির্বাচনে ইসলামি ও সমমনা দলগুলোর ঐক্যের ইঙ্গিত দিয়ে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, সব নীতি আদর্শ দেখা শেষ, এবার ইসলামের বাংলাদেশ। জীবন দেব, রক্ত দেব তবু গোলামি করব না ইনশাআল্লাহ। আন্দোলন শেষ হয় নাই। এবার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন হবে আল্লাহ। যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টকে দেশ থেকে পালাতে, ভাগাতে বাধ্য করেছিলাম, ঐক্যবদ্ধভাবে যদি রাস্তায় নামি তাহলে চাঁদাবাজদেরকেও বাংলাদেশ থেকে উৎখাত করতে সক্ষম হব।

শায়খে চরমোনাই বলেন, ইসলামি দলের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব থাকলে পুঁজিবাদী অর্থনীতির পরিবর্তে ইসলামি অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পুঁজিবাদী অর্থনীতি ধনীকে ধনী বানায় আর গরিবকে আরও গরিব করে। ইসলামী অর্থনীতি গরিবদের জন্য, সকলের জন্য।

অতীতের ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা করে ফয়জুল করীম উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, চোরের মাধ্যমে চুরি বন্ধ হয়?  খুনির মাধ্যমে খুন বন্ধ হয়? দেশকে এক নম্বর বানাতে চান? মাদার গাছ লাগিয়ে আমের আশা করা যায় না। আমরা বাংলাদেশকে গড়বো, আমরা উন্নয়ন করবো। আমরা মা-বোনদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যেখানে অধিকার থাকবে সকল শ্রেণি-পেশার ও বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের মানুষের। থাকবে না কোনো বৈষম্য।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ