সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

রাজধানীতে আবারও শক্তির জানান দিলো জামায়াত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

টানা প্রায় ১৫ বছর কোণঠাসা অবস্থায় থাকা জামায়াতে ইসলামী গত ১৯ জুলাই রাজধানীতে জাতীয় সমাবেশে বড় শোডাউন করেছিল। এবার আরেক দফা শোডাউন করল দলটি। 

বুধবার (১৩ আগস্ট) ‘জুলাই জাতীয় ঘোষণাপত্র’ ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর আইনগত স্বীকৃতি প্রদান এবং এ সনদের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে শক্তির জানান দিয়েছে দলটি। এতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। 

এদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরের পানির ট্যাংকি এলাকায় সমাবেশের সূচনা হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা পরিবেশন করেন ইসলামি সঙ্গীত।

সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর শীর্ষ নেতারা এ সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। এরপর শরু হয় মিছিল।

মিছিলটি বিজয়নগর পানির ট্যাংকি থেকে শুরু করে কাকরাইলের দিকে যাত্রা করে। হাজার হাজার মানুষের শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় নগরীর রাজপথ।

মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমরা নির্বাচনে যেতে চাই। তার আগে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সব বিষয় স্পষ্ট করতে হবে। আমরা ইলকেশন চাই, সিলেকশন নয়।

দলের এই নায়েবে আমির বলেন, অধিকাংশ দলই জুলাই ঘোষণাপত্রের ব্যাপারে মত, ভিন্নমত ও নোট দিয়েছে। সবকিছুর বিষয়ে ঐকমত্য হওয়ার পরও একটি দল বলছে, এর আইনি ভিত্তি নেই। তাহলে কি এই ঘোষণাপত্রের আইনি ভিত্তি আছে? সরকার তো মুখে স্বীকার করছে, কিন্তু সে অনুযায়ী যদি বাস্তবায়ন না করে তাহলে ঈমান থাকে?

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ