বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে কওমি মাদরাসা ২৫ হাজার, শিক্ষার্থী প্রায় ৭০ লাখ হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

নির্বাচন সময়মতো না-ও হতে পারে; তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন জরুরি: তাহের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সময়মতো না-ও হতে পারে, তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কমনওয়েলথের ‘ইলেকটোরাল সাপোর্ট’ শাখার উপদেষ্টা ও ‘প্রি-ইলেকশন অ্যাসেসমেন্ট’ প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তাহের বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা যা প্রস্তুতি দরকার, জামায়াত তার সবকিছুই সম্পন্ন করেছে। এবারের নির্বাচন সাধারণ কোনো নির্বাচন নয়—এটি হতে হবে উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রস্তাব দিয়েছে—গণভোটের মাধ্যমে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা উচিত। এনসিসির প্রস্তাব দ্রুত কার্যকর করে একটি আদেশের ভিত্তিতে গণভোট আয়োজন করতে হবে।’

জামায়াত নেতা মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটই যথার্থ পদক্ষেপ। নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তাহেরের ভাষায়, ‘জুলাই সনদ এত গুরুত্বপূর্ণ যে কিছু অর্থ ব্যয় করেও এটি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও এ চাপ বজায় থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাবসহ সব বাহিনীর স্থায়ী অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অতীতে এসব বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করেছে, এবার তাদের স্থায়ীভাবে মাঠে থাকতে হবে।’

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ