বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে কওমি মাদরাসা ২৫ হাজার, শিক্ষার্থী প্রায় ৭০ লাখ হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট না হলে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথা চাড়া দিবে 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট জনআকাঙ্ক্ষার অন্যতম দাবীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও কুমিল্লা-৩ আসনে হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।

তিনি বলেন, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় ভোটের কোন মানে হয় না। এটা দেওয়া না দেওয়ার সমান। এর কোন প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই সচেতন মহল মনে করেন। যদি আগে জুলাই সনদের স্বীকৃতি না হয় তাহলে এই ভোটের কোন মূল্য থাকে না এবং গণঅভ্যুত্থানও মূল্যহীন হয়ে যায়। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে মানতে পারলে গণভোট আগে হবে এটা মানতে অসুবিধা কোথায়? তাহলে বোঝা যায় গণ ভোট নিয়ে দূরভিসন্ধি আছে।
 শুক্রবার কুমিল্লা-৩ আসনের মুরাদনগর উপজেলার বাখরাবাদ বাজারে হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের মুরাদনগর উপজেলা সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুবনেতা ফখরুল ইসলাম মারজান, ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ উল্লাহ, মোহাম্মদ বাবুল। 
 
তিনি ধারাবহিকভাবে হাতপাখার পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।  এ সময় জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হন মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। জনগণের আশা ইসলামী ও দেশপ্রেমিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে ইসলামের বিজয় হবে। 

সাধারণ মানুষ এবার ইসলামের পক্ষে আছে বলে জানান দেন ভোটাররা।  ভোটারদের বক্তব্য হলো আমরা  ৫৪ বছরে বিভিন্ন দল ও ব্যক্তির শাসন দেখেছি। এবার আমরা ইসলামের শাসন দেখতে ইসলামী দলগুলোকেই ভোট দিবো। মানুষ সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক মুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র দেখতে চাই। সম্মানিত অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদেরকে মাদকমুক্ত পরিবেশে বড় করতে চান। এজন্য ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ