মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ।। ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের দফায় দফায় হামলা, সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু ভারতে ভ্রমণ-সতর্কতা জারির আহ্বান আবদুর রব ইউসুফীর ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের নতুন কমিটি ঘোষণা ‘আলেম-উলামাদের রাজনৈতিক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভূমিকা পালন করতে হবে’ সাতক্ষীরায় তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে হত্যা, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত নারী নিহত কুরআনের শিক্ষা ও সৌন্দর্যমণ্ডিত তেলাওয়াতের বার্তা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, ১৭ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা ইরানের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ আরও কঠোর করল যুক্তরাষ্ট্র জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে যাচ্ছে না জমিয়ত, বিএনপির সঙ্গে দূরত্বের ইঙ্গিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

বিশেষ প্রতিনিধি

সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর শরিক দল ও সমমনা জোটের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তবে এই নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির দীর্ঘদিনের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দলের কোনো প্রতিনিধিই বৈঠক কিংবা নৈশভোজে যোগ দিচ্ছেন না বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী গণমাধ্যমকে বৈঠকে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই বিএনপির সঙ্গে জমিয়তের সম্পর্ক আগের মতো নেই। নির্বাচনে জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেলেও কোনো আসনে জয় পায়নি দলটি। এরপর সরকার গঠনের পর শরিক দল হিসেবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে মনে করছেন জমিয়তের নেতারা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের পর আমাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো যোগাযোগ নেই। কুশল বিনিময়ও হয়নি, কোনো বৈঠকও হয়নি। জোটের অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা হলেও আমাদের ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। এটা রহস্যজনক।

জমিয়তের নেতাদের ভাষ্য, আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকার পরও সরকার গঠনের পর দলটিকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও অভিমান থেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই আমন্ত্রণেও সাড়া দেয়নি দলটি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের পাঁচ মাস পূর্তিতে শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক মূলত জোটের ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার একটি উদ্যোগ। কিন্তু সেই আয়োজনে অন্যতম শরিক জমিয়ত না গেলে বিএনপির সঙ্গে দলটির দূরত্ব বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ