সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

গণভোটের রায় পাশ কাটানোর চেষ্টা করলে সরকার বিপদে পড়বে: খেলাফত মজলিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদকে উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিলে সরকার রাজনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে খেলাফত মজলিস। দলটির নেতারা বলেছেন, গণরায়কে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংস্কারের চেষ্টা জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এসব কথা বলা হয়।

অধিবেশনে নেতারা অভিযোগ করেন, জুলাই জাতীয় সনদ ও ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। অথচ জনগণ এমন একটি সংবিধান সংস্কার চায়, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

তারা বলেন, গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই জাতীয় সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করারও দাবি জানান তারা।

অধিবেশনে সিদ্ধান্ত হয়, গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরগুলোতে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে যথাসম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

এছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিষয়ে খেলাফত মজলিস জানায়, ওই জোট মূলত নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও কিছু কর্মসূচিতে অংশ নিলেও এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে দলটি। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে সংসদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য বিরোধী দলের ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবেন বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সকাল ৯টায় শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় এতে নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসান এমপিসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অধিবেশনে বিভিন্ন সাংগঠনিক প্রস্তাব গ্রহণ, কেন্দ্রীয় ও শাখার ষান্মাসিক প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ