মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

নামাজ পথ দেখায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

khawajaআওয়ার ইসলাম ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলে লম্বা দাড়ির হাশিম আমলার কথা সবাই জানেন। যিনি নিয়মিত নামাজ-রোজা করেন। যার বিবেচনায় ধর্ম সবার আগে। তেমনি অস্ট্রেলিয়া দলেও আছেন একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ক্রিকেটার, যার নাম উসমান খাজা। তার ধর্ম বিশ্বাস ও আচার এতদিন লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল।

সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। নামাজে তিনি খুব শান্তি পান বলে সরাসরি জানান। ইসলাম ধর্ম তার কাছে সবার আগে। আর নামাজই তাকে সঠিক পথে রাখে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের সময়ও রোজা রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু বাজে অভ্যাস পাকিস্তান বংশোদ্ভুত খাজার শরীর নষ্ট করছিল। এরপর নামাজে মন দেন তিনি। তারপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। ২৯ বছর বয়সে এখন ক্যারিয়ারের চূড়ায়। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ান দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। কিছুদিন ধরে সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি করে যাচ্ছেন। যদিও ২০১১ সালে প্রথম সুযোগ পাওয়ার পর জায়গাটা হারিয়েছিলেন। তবে ২০১৪ সালে আলোচনায় ফেরার পর দারুণ ধারাবাহিক এই ব্যাটসম্যান।

ক্যারিবিয়ান থেকে খাজা বলছিলেন, ‘খেলাটা কখনো স্ট্রেস আনে, আবেগতাড়িত করে, কঠিনও কখনো কখনো...সবাইকে তাই মনযোগ ধরে রাখতে পথ খুঁজতে হয়। সবাই নিজের মতো করে পথ বের করে নেয়। আমার রাস্তাটা আমার। আমি নামাজ পড়ি। ওটাই আমাকে পথে রাখে। আমার জীবনে এক নম্বর ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধর্ম। ওটা সবার আগে। অন্য সবকিছুতে এটাই সহায়তা করে। ক্রিকেটেও।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের চলতি সফরে ম্যাচের দিন রোজা রাখতে পারবেন না খাজা। কারণ, যথাযথ খাদ্য ছাড়া মাঠে সেরাটা দেওয়া সম্ভব না। এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আমলার সাথেও কথা বলেছেন তিনি। খাজা বলেন, ‘এ নিয়ে আমি হাশিমের সাথে কথা বলেছি। সে বলল, ‘না, কোনো সুযোগ নেই। ম্যাচের দিনগুলো একটু বেশি কঠিন।’ তবে আমার সিদ্ধান্ত হলো, ম্যাচের দিন হয়তো সম্ভব নয়, তবে যে দিনগুলোতে খেলা থাকবে না সেদিনগুলোতে রোজা রাখতে চাইব। সফরের দিনগুলোতেও রাখব।’

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ