
ফারুক ফেরদৌস : কওমি সনদের সরকারী স্বীকৃতির দাবি অনেক দিনের। স্বকীয়তা বজায় রেখে কওমি সনদের স্বীকৃতি দরকার এ নিয়ে কওমি অঙ্গনে এখন কোনো দ্বিমত নেই বললেই চলে। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে কওমি সনদের স্বীকৃতির জানানো হয়েছিলো। কিন্তু চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিকে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা আসলেও বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পরে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে কওমি সনদের স্বীকৃতি দেয়ার উদ্যোগ নেয়। আলেম ওলামার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের পর ২০১২ সালে একটি কমিশনও গঠন করে দেয় সরকার। কিন্তু বিভিন্ন বাঁধার মুখে পড়ে স্বীকৃতির প্রক্রিয়াটি বারবার বিলম্বিত হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা আয়োজিত উলামা সম্মেলনে আলেম সমাজের পক্ষ থেকে কওমী সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়নের দাবি উত্থাপিত হলে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে একমত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সবাই একমত হোন অথবা যারা আগ্রহী তারা একমত হোন, আমরা বাস্তবায়ন শুরু করে দেবো।’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে স্বীকৃতির বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে।
বিষয়টি নিয়ে আওয়ার ইসলাম কথা বলেছে তরুণ প্রজন্মের কয়েকজন চিন্তাশীল আলেমের সাথে। কেউ কেউ কিছু শর্ত যোগ করলেও সবাই স্বীকৃতির পক্ষে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেছেন।
ফরিদাবাদ জামিয়া থেকে তাকমিল সমাপনকারী এবং বর্তমানে সেখানেই ইফতা বিভাগে অধ্যয়নরত মাওলানা জুবায়ের মহিউদ্দীনের মতে সমাজে একজন আলেমের সামাজিক স্বীকৃতির ব্যাপারে সব মাদ্রাসাই সাধ্যমত চেষ্টা করে। তাই সামাজিক স্বীকৃতির পাশাপাশি লিখিত স্বীকৃতিটাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া দ্বিমুখী আচরণ।
স্বীকৃতিহীন শিক্ষা ব্যবস্থা সমাজ থেকে কওমী মাদ্রাসাকে একটা সময় পুরোপুরি আলাদা বা বিচ্যুত করে দিতে পারে বলে আশংকা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সরকারের সহযোগী হয়ে দেশ ও দশের জন্য কল্যাণজনক কাজে এগিয়ে আসতে হলেও কাগজ কলমের স্বীকৃতির প্রয়োজন।’
স্বীকৃতি দিতে অহেতুক বিলম্ব কওমি আলেম সমাজকে দিন দিন সরকারের প্রতি বিদ্বেষী করে তুলবে বলেও মনে করেন তিনি।
জামিয়া রহমানিয়া থেকে তাকমিল সমাপনকারী মাওলানা নেহাল মুহাম্মদ আলেমদের ইসলাম প্রচার ও সমাজ স