মাওলানা হাসান মুহাম্মদ জামিল। একজন দায়ী মুসলিম স্কলার হিসেবে সমধিক পরিচিত। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার পরিচিত মুখ। বহুমুখী ফিতনার মোকাবেলায় অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। সোশ্যাল মিডিয়াও তাঁর সরব পদচারনায় মুখরিত। বক্তব্যে স্পষ্টবাদী। চিন্তা ও কর্মে পূর্বসূরীদের পথধারী। দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ইসলামী অনুষ্ঠানে প্রায়ই অংশগ্রহণ করেন এই মানুষটি। দেশের সীমা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও তার দাপুটে অংশগ্রহণ বরাবরই পরিচিত। এই সরল, সজ্জন মানুষটির সাথে কথা হয় এক সন্ধ্যায়। ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত বহু প্রশ্নের সরল ও ভারসাম্যপূর্ণ জবাব দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রোকন রাইয়ান ও আবু সাঈদ জোবায়ের
আওয়ার ইসলাম: আসসালামুআলাইকুম। প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের সময় দেয়ার জন্য।
মাওলানা হাসান জামিল: ওয়ালাইকুমুস সালাম। আপনাদেরও ধন্যবাদ।
আওয়ার ইসলাম: ইসলাম প্রচার তথা দাওয়ার ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা কতুটুকু?
মাওলানা হাসান জামিল: বর্তমান সময়ে এই প্রশ্নটি খুবই প্রাসঙ্গিক। একসময় আমাদের মূলধারার ওলামায়ে কিরাম এ বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন। তবে বর্তমানে এটি দাওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেই কেবল মানুষের বেডরুম পর্যন্ত দাওয়াত পৌঁছানো সম্ভব। এ প্রসঙ্গে আমি দুটি কথা বলব।
১. ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ছাড়া নারীদের কাছে দাওয়াত পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। কারণ, সাধারণ ওয়াজ মাহফিলগুলোতে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ অনেকাংশেই সম্ভব হয় না। তাই, নারীদের মাঝে ইসলাম বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
২. প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করার জন্য তাদের উপযোগী মাধ্যম নির্বাচন প্রয়োজন। অগ্রসরমান বিশ্বে মিডিয়া একটি বড় মারণাস্ত্র। তাই ইসলামের প্রচার প্রসারে এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ কারণগুলো সামনে রেখেই আমি বলব, মিডিয়া বর্তমানে দাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
আওয়ার ইসলাম: প্রাসঙ্গিক একটি প্রশ্ন এসে যায়, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তো অনেক খারাপ বিষয়ও থাকে। যেগুলো ইসলামি শরিয়ার পরিপন্থী। সেক্ষেত্রে কী করণীয়?
মাওলানা হাসান জামিল: প্রথম কথা হল, আমরা কাউকে টেলিভিশন ব্যবহার করার ব্যাপারে উৎসাহিত করি না। হ্যাঁ, যাদà