শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থায় দুর্বল এশিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

cybersecurity-graphic copy

আওয়ার ইসলাম : বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে চলছে এশিয়ার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি মার্কিন সিকিউরিটি কোম্পানি ম্যান্ডিয়ান্টের পরিচালিত অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এশিয়ায় সাইবার আক্রমণের শিকার হওয়া এবং তা শনাক্ত হওয়ার গড় মধ্যবর্তী সময় ৫২০ দিন। বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সাইবার আক্রমণের শিকার ও শনাক্ত করতে যে সময় নেয়া হয়, এটি গড় হিসেবে তার প্রায় তিনগুণ। দুর্বল সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সতর্কতা না থাকায় অন্য অঞ্চলের চেয়ে ৮০ শতাংশ বেশি হামলার শিকার হচ্ছে এশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো।

ওই অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সাইবার অপরাধীরা প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে গড়ে ৩ দশমিক ৭ গিগাবাইট ডাটা চুরি করতে সমর্থ হয়। অর্থাৎ এক হামলা থেকে এত বেশি ডাটা হাতিয়ে নেয়া মানে অনেক বেশি তির সম্মুখীন হওয়া, যেখানে থাকতে পারে হাজার হাজার ডকুমেন্ট। অর্থ বা তথ্যের দিক বিবেচনায় বড় ধরনের তির সম্মুখীন হলেও এশিয়ায় এ ধরনের অপরাধগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না। কারণ এ অঞ্চলে সাইবার হামলার বিষয়গুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

সাইবার অপরাধ বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা। ব্যক্তিপর্যায় থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠানেই সাইবার হামলা বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান এ সমস্যা রোধে প্রযুক্তিগত কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই বলেও উল্লেখ করা হয় ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদনে।

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ