সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু

ইশা ছাত্র আন্দোলনের সিকি শতাব্দি এবং কিছু প্রসঙ্গ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

palash-copyপলাশ রহমান; ইতালি থেকে

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, একটি ছাত্র সংগঠন। ১৯৯১ সালের ২৩ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামি (শাসনতন্ত্র) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠতা আমির এবং চরমোনাইর পীর সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীমের রহ হাত ধরে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই পীর সাহেব ছিলেন একজন অত্যান্ত সম্মানী এবং শ্রদ্ধার মানুষ। তিনি পীরত্বের গণ্ডি ভেঙ্গে রাজনীতিতে এসেছিলেন। তার বহু দর্শন আছে, যা বাংলাদেশের প্রচলিত ধারার রাজনীতিতে নতুনত্ব সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছিলেন, শুধু নেতার পরিবর্তন করে মানুষের ভাগ্য বদল করা যাবে না, নীতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তিনি বলেছিলেন, প্রচলিত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত রেখে কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করলেও কোনো ফয়দা হবে না। বরং প্রচলিত শাসন ব্যবস্থায় যদি একজন আল্লাহর অলীকেও ক্ষমতার চেয়ারে বসিয়ে দেয়া হয়, সে চোর হতে, দূর্নীতিবাজ হতে, জালিম শাসক হতে বাধ্য হবে। সুতরাং বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার মূল অবস্থান ছিল প্রচলিত শাসনতন্ত্রের বিরুদ্ধে। তিনি শাসনতন্ত্রের পরিবর্তন চেয়েছিলেন। মানব রচিত শাসনতন্ত্র সরিয়ে খোদা প্রদত্ত শাসনতন্ত্র কায়েম করতে চেয়েছিলেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি যতোটা সম্মানী মানুষ ছিলেন ততটা জনপ্রিয় ছিলেন না। দেশের মানুষ তাকে একজন পীর বা আধ্যাত্মিক নেতা হিসাবেই বেশি পছন্দ করতো। রাজনৈতিক নেতা হিসাবে মানতে খুব একটা প্রস্তুত ছিল না। এই অপ্রস্তুতি শুধু সাধারণ মানুষের মধ্যে নয়, তার হাজার হাজার মুরিদের মধ্যেও লক্ষ করা যেতো। তার অনেক মুরিদ ছিল বা আছে যারা আধ্যাত্মিক নেতা হিসাবে তাকে মানতে সব সময় প্রস্তুত ছিল। তারা পীর সাহেবের ওয়াজ শুনে ঝরঝর করে চোখের পানি ছেড়ে দিত। কবরের আজাব থেকে মুক্তি পথ খুঁজতে পাগলের মতো আচারণ করতো। দ্বীনের পথে অটল থাকতে, নিজেকে খোদাভীরু মুসলমান হিবাসে তৈরি করতে তারা নিয়মিত পীরের বাতিয়ে দেয়া পদ্ধুতিতে জিকির/আমল করতো। কিন্তু তারা রাজনীতিতে পীরকে নেতা হিসাবে মেনে নিতে রাজি ছিল না। যা পীর সাহেব নিজেও জানতেন। তিনি অসংখ্য বার বলেছেন, প্রকাশ্যেই বলেছেন, চরমোনাইর মাঠে বা জিকির আজগারের সময় আমি আপনাদের পীর, কিন্তু ভোট দেয়ার সময় বা রাজনীতির মাঠে আপনাদের পীর হয়ে যায় হাসিনা বা খালেদা, এমন মুরিদ আমার দরকার নেই। এমন মুরিদ পরকালে মুক্তি পাবে না। কারণ ইসলাম শুধু ধর্ম হিসাবে পালন করলে চলবে না, রাষ্ট্রীয় আদর্শ বা শাসনতন্ত্র হিসাবেও প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, চেষ্টা করতে হবে। এটাই আল্লাহর নবীর শিক্ষা।

সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীমের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় দর্শন নিয়ে, তার বা তাদের তরিকà¦