শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

সৈয়দ হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

haqআওয়ার ইসলাম: সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আইয়ের কার্যালয়ে আনা হয় দেশ বরেণ্য এ কবির মরদেহ। ১০টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় তার প্রথম নামাজে জানাজা।
জানাজা শেষে এখান থেকে বাংলা একাডেমিতে নেয়া হয়েছে সৈয়দ হকের মরদেহ। সেখানে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে তার মরদেহ।

শ্রদ্ধা জানানো শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেয়া হবে কবিকে। দুপুরে জোহরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে কবির আরেকটি জানাজা।

এপর দাফনের জন্য সৈয়দ হকের মরদেহ কুড়িগ্রামে নেয়া হবে। সেখানে নিজের নামে বরাদ্দ করা জমিতে সমাহিত হবেন সব্যসাচী এই লেখক।

মঙ্গলবার বিকালে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

সৈয়দ হক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হকও কথাসাহিত্যিক।

সৈয়দ হকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশের সাহিত্য অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সব্যসাচী লেখকের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন।

কবিতা, নাটক, গল্প, উপন্যাস, চলচ্চিত্রসহ সাহিত্যের সব শাখায় অসামান্য অবদান রাখা সৈয়দ হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

গুণী এই সাহিত্যিকের 'খেলারাম খেলে যা', 'নীল দংশন', 'মৃগয়া', 'সীমানা ছাড়িয়ে', 'আয়না বিবির পালা'সহ বহু পাঠকপ্রিয় বই রয়েছে। তার লেখা দুটি অমর নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ও 'নুরুল দীনের সারাজীবন'।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কার বহু পুরস্কার পেয়েছেন সব্যসাচী এই লেখক।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ