
র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী একাত্তরের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। একজন প্রবীন রাজনীতিবিদ, ছাত্র রাজনীতির সিঁড়ি বয়ে এসেছেন এ পর্যন্ত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই তার রাজনীতিতে আসা। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য। বাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ইমেজ, সাংগঠনিক অসাধারণ দক্ষতা ও সাবেক আমলা হিসাবে বেশ খ্যাতি আছে তার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিবও ছিলেন তিনি। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এই নেতা উৎসবমুখর কাউন্সিলের একাধিক উপকমিটির মেম্বার। প্রবীন এই নেতার কাছে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ান
রোকন রাইয়ান: পাক্ষিক মত ও পথের সম্পাদক ও একাধিক বইয়ের রচয়িতা আপনি। এক সময়ের লেখক জীবন থেকে এখন রাজনৈতিতে। তো আপনি কোন জীবনকে প্রাধান্য দেন?
মোকতাদির চৌধুরী: আমার লেখার জীবনটা মূল না। আমি কদাচিৎ লিখি। আমি মূলত রাজনীতি করি। আমি লেখক থেকে রাজনীতিতে আসিনি। রাজনৈতিক জীবনই হলো আমার আসল জীবন। অবশ্য মাঝে আমি সরকারি চাকরিও করেছি। সরকারি কর্মকর্তা ছিলাম, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ছিলাম।
রোকন রাইয়ান: আপনার কাছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস ঐতিহ্য ও গৌরবের কথা জানতে চাই।
মোকতাদির চৌধুরী: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম আওয়ামী লীগ হিসাবে জন্ম গ্রহণ করে। জন্মের সময় সভাপ্রতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি এবং শামসুল হক নামে একজন তরুণ রাজনীতিবিদ এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান তখন জেলে ছিলেন। কারাগার থেকেই তাকে আওয়ামী লীগের অন্যতম সাধারণ যগ্ম সম্পাদক হিসাবে নির্বাচন করা হয়। এখান থেকে যাত্রা শুরু করে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সাথে আওয়ামী লীগ যুক্ত হয়ে পরে। এই আন্দোলনের সূচনা হয় ১৯৪৮ সাল থেকে। এর পরে ১৯৫৪ সালে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আরà§