শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

অন্যের প্রশংসা কেন করবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

jazakallahআওয়ার ইসলাম: কারো প্রশংসা করতে আমরা প্রায়ই কার্পণ্য করে থাকি৷ স্বীকৃতি বা প্রশংসা শুধু কাজে উৎসাহই দেয়না, মানসিকভাবেও একজন মানুষকে করে শক্তিশালী৷ এমনটাই বলছেন জার্মান মনশ্চিকিৎসক৷

স্বীকৃতি মানসিক শক্তি দেয়

রোজগারের জন্য বা নিজের ঘরে কত কাজই না মানুষকে করতে হয়৷ তবে কিছু কাজের স্বীকৃতি বা প্রশংসা কাজ করার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়৷ তাছাড়া মানসিকভাবে সুস্থ থাকা বা শক্তিশালী হওয়ার জন্যও এই স্বীকৃতিটুকু দরকার৷ প্রশংসা, স্বীকৃতি মনের শক্তি জোগায়৷ একথা জানান জার্মান মনশ্চিকিৎসক ও লেখক ভল্ফগাং ক্র্যুগার৷

প্রশংসা গ্রহণ করুন

অনেকে আবার প্রশংসা সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেন না৷ যেমন ‘‘এই ড্রেসটা খুব সুন্দর, তোমাকে খুব মানিয়েছে-’’ এরকম প্রশংসার উত্তরে কেউ কেউ হয়তো খুশি না হয়ে পাল্টা বলেন, ‘‘ড্রেসটা খুব সস্তায় কিনেছি৷’’ এরকম উত্তর আসলে দুঃজনক৷ এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, ‘‘বরং আনন্দিত হয়ে, মিষ্টি হেসে বলুন, ‘ধন্যবাদ’৷ এতে প্রশংসাকারীও কিন্তু খুশি হবেন৷ তাছাড়া প্রশংসা কিন্তু সম্পকর্কে মজবুতও করে৷’’

কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি

পদোন্নতি বা বেতন না বাড়লেও অনেকেই কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজ করে থাকেন৷ এতে লাভবান হয় কোম্পানি বা অফিসই৷ তাই এ ক্ষেত্রে একটু প্রশংসা বা কাজের স্বীকৃতি কর্মীদের কাজের আগ্রহ বাড়িয়ে দিতে পারে৷ অন্যথায় কাজের আগ্রহ কমে এক সময় মানসিকভাবে অসুস্থ হতে পারেন৷ দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে দ্বিতীয়টিই ঘটছে আজকাল বিশ্বের প্রায় সর্বত্র৷

প্রশংসা করা কী শেখা যায় ?

অবশ্যই শেখা যায়৷ ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী বা প্রতিবেশীদের মধ্যে কার কী গুণ আছে তা নিয়ে আলোচনা করুন৷ মাঝে মধ্যে অবশ্যই সেগুলো নিয়ে প্রশংসা বা ইতিবাচক মন্তব্য করতে পারেন৷ তবে অন্যের ভুল-ক্রুটি নিয়ে আলোচনা না করে বরং গঠনমূলক সমালোচনা করা যেতে পারে, কারণ, এতে সকলেরই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷

প্রশংসা সকলের জন্যই

পরিবারের মধ্যে একে অপরের ভুল-ত্রুটি ধরার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়৷ বরং এর বদলে মাঝে মাঝে প্রশংসা করতে পারেন, দেখবেন, এতে একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক মধুর হবে, সহজ হবে৷ জানান ডা. ক্র্যুগার৷

সন্তানের প্রশংসা করতে দ্বিধা করবেন না

অনেক মা-বাবা আছেন, যাঁরা সহজে নিজের সন্তানের প্রশংসা করতে চান না৷ মাঝে মধ্যে সন্তানের ভালো দিকগুলোর প্রশংসা করুন, দেখবেন এতে নিজেরাও প্রশংসিত হবেন৷ আর এতে সম্পর্কও হবে সহজ, সুন্দর৷

সূত্র: ইন্টারনেট


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ