শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

দুই গ্রামবাসীর রক্তাক্ত সংঘর্ষ থামালেন আলেমরা; ওসির প্রসংশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

baniachangআওয়ার ইসলাম: হবিগঞ্জের বানিয়াচং সদরের উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে চলতে থাকা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থামাতে বিশেষ ভূমিকা রাখলেন শতাধিক আলেম। এর আগে পুলিশ টিয়ারশ্যাল ক্যাদানো গ্যাস ছুড়েও ওই সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন। পুলিশ বাহিনী আলেমদের এই সাহসী ভূমিকার প্রসংশা করেন।

রোববার বয়স্কদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় তকবাজখানি মাঠে তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়। পরে রাত ৮টার দিকে স্থানীয় শতাধিক আলেম এগিয়ে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে।

সংঘর্ষের সময় পার্শ্ববর্তী রঘুচৌধুরী রবিদাশ পাড়ার লোকদের অন্তত ২০টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ সময় ওইপাড়ার দলিত সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজ ঘরে জিম্মি অবস্থায় চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় সময় কাটান।

রকমারি-আওয়ার ইসলাম সিরাত কুইজে অংশ নিন, জিতে নিন প্রতিদিন ৩০০ টার বই

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তকবাজখানি মাঠে ৪৩ ঊর্ধ্ব বয়স্ক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল বাহারসহ স্থানীয়রা। রোববার মিনাট ও তকবাজখানির মধ্যে খেলা ছিল। মিনাট গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য ইনছাব আলী ও তকবাজখানি গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ফেরদৌস আহমেদ।

খেলায় একটি গোলকে কেন্দ্র করে উভয় দলের খেলোয়াড় ও দর্শকের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ক্রমেই সংঘর্ঘের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

খবর পেয়ে থানার অপারেশন অফিসার ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে গ্যাসের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী খড়-কুটায় আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরে স্থানীয় আলেম মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ, ফরিদ উল্লাহ, আবদুল ওয়াদুদ, ফারুক আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খান ও প্রভাষক খায়রুল বাশার সোহেলের নেতৃত্বে শতাধিক আলেম-ওলামা 'নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার' স্লোগান দিয়ে উভয়পক্ষের মাঝামাঝি অবস্থান নেন। তারা সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালে উভয়পক্ষ পিছু হটে।

আরআর

http://ourislam24.com/2016/12/04/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%B8/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ