۞ ১২ রবিউল আউয়ালে নবীজির জন্মদিন পালন করা ইসলাম সমর্থন করে না
۞ নবীজির জীবনকে একইভাবে না পড়ে বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন দিক থেকে অধ্যায়ন করতে হবে
ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ: আমাদের দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ১২ রবিউল আউওয়ালের দিনকে ঈদে মিলাদুন্নবী সা. হিসাবে নানা উৎসাবের সধ্য দিয়ে উদযাপন করে। অনেকেই এই দিনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূণভাবে অতিবাহিত করেন। অনেকেই আবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রার আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করেন।
ইসলামে ঈদে মিলাদুন্নবী সা. বা সিরাতুন্নবী সা. পালন করার বিধান কী? এই ১২ রবিউল আউওয়ালে আসলে কিভাবে কাটানো উচিত। এই বিষয়ে কথা হয় সেন্ট্রাল শরিয়া বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ এর সেক্রেটারি জেনারেল এ কিউ এম ছফিউল্লাহ আরিফ-এর সঙ্গে।
তিনি বলেন, প্রথম আল্লাহপাক দুনিয়াতে দুইটি রহমত পাঠিয়েছেন, একটি হলো কুরআন আর একটি হলো আল্লাহর নবী হযরাত মুহাম্মাদ সা.। এই দুটি বিষয় নিয়ে আমরা যতটা লেখাপড়া করবো, গবেষণা করবো ততটাই আমরা উন্নতি লাভ করবো।
আমাদের দেশে ১২ রবিউল আউয়ালের দিন নবীজির জন্মদিন পালন করে থাকে এটা আসলে কখনই ইসলাম সমর্থন করে না। আমাদের নবীর জীবনী নিয়ে সারা বছরই বেশি বেশি আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। আর এর সাথে প্রয়োজন আমাদের নবীর নিঃর্শত আনুগত্য করা তাহলে সকল সমস্যা অতি সহজেই সমাধান হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়, আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বই একটি বিশৃঙ্খল আবস্থা বিরাজ কারছে। এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার দেশ ও বিশ্বকে উদ্ধার করার জন্য নবীজির জীবনী নিয়ে আমাদের বেশি বেশি অধ্যায়ন করতে হবে। নবী সা. দেশ পরিচলনা করেছেন, তার পরিচলিত দেশে ইহুদি ছিলো, খৃস্টান ছিলো তাদের মাঝে কোন বিভেদ ছিলো না। অথচ আজ দেশে দেশে এই নিয়ে দাঙ্গা- হাঙ্গামা চলছে। তার জীবনীতে শুধু মসলমানদের জন্যই না সবার জন্য শিক্ষা রয়েছে।
হযরত আয়েশ