মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস ভারতে মুসলিম কিশোরীকে অপহরণ ও গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

খোলা আকাশের নিচেই রোহিঙ্গা নারীর সন্তান প্রসব!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rohinga24আওয়ার ইসলাম: কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলায় আশ্রয় নেয়া এক রোহিঙ্গা নারী খোলা আকাশের নিচে সন্তান প্রসব করেছেন। এ ঘটনায় জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার ভোররাত থেকে রঙ্গিখালী, নাটমোরাপাড়া, জালিয়াপাড়া, হ্নীলা পূর্ব ফুলের ডেইল, হোয়াব্রাং সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশকারী প্রায় সাতশ' রোহিঙ্গা উপজেলার হ্নীলা বাস স্টেশনের উত্তর পার্শ্বের খোলা মাঠে বসতি গড়ার চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে সকাল ১১টার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি'র হ্নীলা বিওপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নজরুল ইসলাম বিশেষ টহল দল, হ্নীলা ইউপি সচিব হাকিম উদ্দিন পাহাড়ী গ্রাম পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শফিউল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এসময় প্রশাসনের তৎপরতা দেখে কৌশলে রোহিঙ্গা পুরুষেরা পালিয়ে গেলেও নারী-শিশুরা থেকে যায়। বিজিবি জওয়ানেরা ৩৫৬ জন নারী-শিশুকে জড়ো করে স্বদেশ ফেরতের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ অবস্থায় জড়ো করা রোহিঙ্গাদের মধ্যে মিয়ানমারের বুড়া সিকদারপাড়ার আবুল আলমের স্ত্রী খুরশিদার প্রসব বেদনা শুরু হয়। তাকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী হোছন আহমদের ভাড়া বাসার একটি কক্ষে নিয়ে গেলে তিনি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।

পরে বিজিবি জওয়ানেরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে প্রসূতিকে উন্নত চিকিৎসা সহায়তার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিজিবি এসব অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করে এবং জড়ো করা রোহিঙ্গা নারী-শিশুদের স্বদেশ প্রেরণ করে বলে জানা গেছে।

এদিকে অনুপ্রবেশকারী পয়েন্টসমূহে চিহ্নিত দালাল চক্রের সদস্যরা অনুপ্রবেশকারী এসব রোহিঙ্গাদের ঘরে বন্দি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের পর ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠেছে।

এরপর মাঝপথে এলাকার অপর দালাল চক্রের সদস্যরা এসব রোহিঙ্গাদের মালামাল হাতিয়ে নেয়ার পাশাপাশি শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায় বলে ভুক্তভোগীরা জানায়।

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ