রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৯ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, বহিঃশক্তি যাদের সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ‍দিলো ইরান রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে হামের টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ইরানে এখনও ইসরায়েলি অভিযান শেষ হয়নি: ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণ আজ ‘নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান আনতে কাজ করছে সরকার’ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ‘দুইহাজার’ সমঝোতা না-হওয়ার কারণ জানালো ইরান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: সম্ভব হয়নি সমঝোতা, ফিরে যাচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসলামি গবেষণায় নবীনদের আরও অবদান রাখার তাগিদ

আয়াতুল্লাহ রাফসানজানির ইন্তিকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rafsanjaniআওয়ার ইসলাম: ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি আয়াতুল্লাহ আলি আকবর হাশেমি রাফসানজানি আজ (৮ জানুয়ারি) বিকেলে তেহরানের তাজরিশ এলাকায় শোহাদা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খবর ইকনা

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।  তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে।

আশির দশক থেকে ইরানের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। রাফসানজানি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ইরানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের নির্বাচনে মোহাম্মদ আহমেদিনাজাদের কাছে হেরে যান তিনি। ইরানে ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠায় রাফসানজানির অংশগ্রহণ ছিল।

রাফসানজানি ২০১৩ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ১২ সদস্যের তত্ত্বাবধায়ক পরিষদটি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে রাফসানজানিকে নির্বাচনের অনুপযুক্ত ঘোষণা করে। ২০০৫ সালের নির্বাচনে হারার পর সরকারের কার্যক্রম নিয়ে কড়া সমালোচনা করতেন তিনি। ২০০৯ সালের নির্বাচনে সংস্কারকদের সাথে গাঁটছাড়া বেঁধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। সেবার অল্প ব্যবধানে আহমেদিনাজাদ দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক কারণে কারাভোগকারীদের মুক্ত করে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন রাফসানজানি। তিনি সব সময়ই সংবিধানের নিরিখে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাধীনতার ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ