শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

বিসিএস কী?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

bcsজামিল আহমদ: বিসিএস পরীক্ষা আমরা নামের একটা পরীক্ষার কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এর সঙ্গে যারা যুক্ত নন তারা অনেকেই জানি না বিসিএস এর পূর্ণাঙ্গ রূপ বা এর ইতিহাস। আসুন ১ মিনিট সময় ব্যয় করে জেনে নেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি।

বিসিএস হলো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা যার দায়িত্ব সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। এটিকে ইংরেজিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এটি একটি আধা বিচারিক, স্বাধীন সংস্থা। পাকিস্তান আমলের সরকারি কর্ম কমিশনের উত্তরাধিকার হিসাবেই বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল সরকারি কর্ম কমিশন।

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ পর্যন্ত অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বর্ণিত আছে। একজন চেয়ারম্যান এবং কয়েকজন সদস্য নিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন। বর্তমানে ড. মোহাম্মদ সাদিক এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন। সর্বশেষ, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে ৩৭ তম বিসিএস পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

এই কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন ড- এ কিউ এম বজলুল করিম। আর প্রথম নারী চেয়ারম্যান ছিলেন অধ্যাপিকা ড.জিন্নাতুন্নেসা তাহমিদা বেগম। উপমহাদেশে প্রথম সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে।

বর্তমান বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা ২৮ টি। এর আগে এটি ছিল ২৯টি।

সূত্র: ইউকিপিডিয়া


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ