সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নতুন জরিপে বিএনপির কাছাকাছি জনপ্রিয়তা জামায়াতের! হাদি হত্যা: চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঠছাড়া করতে পরিকল্পিত চেষ্টা চলছে: ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেন সালমান এফ রহমান-আনিসুল হক ‘মুজিব কোট তুলে রেখেছি, এবার ধানের শীষে ভোট দেব’ ৭ জেলার ২৫ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগে পিসবের গিজার ও রুম হিটার বিতরণ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল বুধবার ভোরের প্রচারে নজর কেড়েছেন ইবনে শাইখুল হাদিস নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল

আদিত্যনাথের মুসলিম বিদ্বেষের সমালোচনা করলেন মমতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

momotaআওয়ার ইসলাম : এবার ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনায় মুখর হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশে ধর্মীয় বিভাজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার বার্তা দিয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মানুষ আজ ভীত। জাতি, ধর্মের ভেদাভেদের কারণে অনেকেই আতঙ্কিত। মনে রাখতে হবে আমরা সকলেই এক। সরকারের দায়িত্ব সকলের পাশে দাঁড়ানো।’

তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সকলের সঙ্গে সবার উন্নয়ন) শুধু বললেই হবে না, কাজে করে দেখাতে হবে।’

মমতা বন্দোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘সকলের উচিত সংবিধানের গরিমা রক্ষা করা যাতে আগামী দিনে সংবিধান আমাদের পাথেয় হতে পারে।’ এভাবে তিনি হিন্দুত্ববাদীদের উদ্দেশ্যে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে সাফাই দিয়েছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে এক সমাবেশে মমতা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সব মানুষ সমান। সব অঙ্গ ছাড়া মানব শরীর অসম্পূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দাঙ্গার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। বাংলায় তা করতেও দেব না কাউকে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান–সহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়েই চলতে হবে আমাদের। কোনো ভেদাভেদ চলবে না।’

তিনি বিভেদকামীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এ মাটি বড় শক্ত। এখানে দুর্বৃত্তদের কোনও জায়গা নেই।’

উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেখানে একের পর এক কসাইখানা বন্ধ হওয়ায় বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বিয়ের মত সামাজিক অনুষ্ঠানে সেখানে মহিষের গোশতও ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না। সেখানকার একাংশের মানুষদের এতদিনের খাদ্যাভ্যাসেরও পরিবর্তন হতে চলেছে।

এসব ঘটনায় মুসলিমদের পাশাপাশি দলিতরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দরিদ্র শ্রেণির মানুষজনের সস্তায় গরুর/মহিষের গোশত খাওয়ার পথ বন্ধ। দলিতরা যে গবাদি পশুর চামড়া বিক্রি করে উপার্জন করবেন তারও আর উপায় থাকছে না। সে পথও বন্ধ হতে চলেছে।

সূত্র : পার্সটুডে

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ