মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

চাকরি পাওয়ার ৩টি ম্যাজিক প্রশ্নের উত্তর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : একটি ফ্যাক্টরির নির্বাহী পদে চাকুরি দেওয়ার জন্য ইন্টারভিউ চলছিল। সে ইন্টারভিউতে বহু চাকুরিপ্রার্থী উপস্থিত হয়েছিলেন। একটি মাত্র পদের জন্য সমবেত বহুসংখ্যক লোককে ফ্যাক্টরির মালিক কেবল তিনটি অভিন্ন প্রশ্ন করেছেন।

প্রশ্নগুলো ছিল : ১. আপনি কত বেতন চান? ২. আপনার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কী? ও ৩. যদি সারাদিন আপনাকে কাজ করতে বলা হয় এবং এর মাঝে এক মিনিটের জন্যও কোথাও যাওয়ার সুযোগ না দেওয়া হয় তখনও কি আপনি চাকুরি করবেন?

তিনটি প্রশ্নের উত্তরে একেকজন প্রার্থী একেক রকম উত্তর দিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্য থেকে যথারীতি একজনকে চাকুরি দেওয়া হয়েছিল। এখানে প্রশ্নগুলোর কয়েকটি উত্তরের নমুনা দেওয়া হল।

প্রথম চাকুরিপ্রার্থী নির্দিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তরে বলেছেন, ১. ন্যূনতম পনের হাজার টাকা বেতন চাইব। ২. আমি ধনী হতে চাই, আমার একটি বাড়ি ও বাগান থাকবে।৩. কাজের সময় আমি কোথাও যেতে চাইব না; বরং অফিসের প্রয়োজনে বাড়তি সময় ব্যয় করব।

দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থী বলেছিলেন, ১. বেতন চাইব পঁচিশ হাজার। ২. আপনার ফ্যাক্টরির সর্বোচ্চ পদে আরোহন করা আমার স্বপ্ন। ৩. কাজের সময় কোথাও যাব না, এক মিনিটের ছুটিও চাইব না।

তৃতীয় চাকুরিপ্রার্থী বলেছিলেন, ১. বেতন চাইব বিশ হাজার। ২. আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারা। ৩. আপনি যেভাবে চাবেন সেভাবেই ডিউটি করব। নির্দেশ থাকলে রাতেও ডিউটি করব।

প্রশ্নগুলোর উত্তরে অধিকাংশজন প্রায় এ ধরনের উত্তরই দিয়েছিলেন। একজন তো এ-ও বলেছিলেন, ফ্যাক্টরি মালিকের পর সবচেয়ে উঁচু পদে আসীন হওয়াই তার স্বপ্ন বা প্রত্যাশা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাকে চাকুরি দেওয়া হয়েছিল তার উত্তর ছিল একটু ভিন্ন রকম এবং ইন্টারভিউ শেষে সব চাকুরিপ্রার্থীর সামনে সে উত্তরগুলো পড়ে শোনানো হয়েছিল।

যার চাকুরি হলো তার উত্তরগুলো ছিল এরকম : ১. আপনি যে বেতন দেবেন সেটাই গ্রহণ করে নেব। ২. আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হল আল্লাহ তাআলা যেন আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। ৩. নামাযের সময়ে আমি কাজ করব না। আমাকে তো নামাযে যেতে হবে।

ফ্যাক্টরির মালিক নিজে ছিলেন অত্যন্ত দ্বীনদার। তিনি এ প্রার্থীর উত্তর পছন্দ করে তাকে নিয়োগ দিলেন এবং তাকে মুবারকবাদ জানালেন। তার বেতন ধার্য করলেন পঁচিশ হাজার। ইন্টারভিউ শেষে চাকুরি নিশ্চিত করে তাকে বিদায় জানানোর সময় তার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফ্যাক্টরির মালিক বললেন, আল্লাহ তাআলা আপনার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা পূরণ করুন। আমীন। একটি বিদেশি সাময়িকী থেকে

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ