সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

প্র্যাংক ভিডিও প্রস্তুতকারীরা পুলিশের নজরদারিতে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্র্যাংক তৈরির নামে যারা মানুষকে হয়রানি করে, তাদের নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ। কেউ কোনও হয়রানির অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্র্যাংক (কৌতুক) একটা ভালো বিষয়। তবে সেটার বিভিন্ন উপায় বা পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু যারা প্র্যাংকের নামে পার্ক, পথেঘাটে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানুষকে হয়রানি করে, তারা ফৌজদারি অপরাধ করেন। কেউ নির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে প্রতিটি থানা তাদের অভিযোগ গ্রহণ করবে।

এমন বেশ কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল ঘুরে বেশ কয়েকটি ভিডিও দেখা গেছে। যেখানে মানুষের সঙ্গে অতিমাত্রায় ভয়ঙ্কর আচরণ করা হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নিরিবিলি পার্কে রাস্তার পাশে সন্ধ্যার পর একজন মুখোশ পরে গাছের আড়ালে লুকিয়ে আছেন। যখনই কেউ ওই রাস্তা দিয়ে আসছেন, তখন হঠাৎ মুখোশ পরিহিত লোকটি রাস্তায় চলাচলরত মানুষের সামনে গিয়ে চিৎকার করে ভয় দেখাচ্ছেন। ভয় পেয়ে লোকজন দৌড়ে পালাচ্ছেন।
আবার কোনও নারীকে কোনও একটি পুরুষ গিয়ে হঠাৎ বলছেন, ‘আপনাকে চুমু খেতে চাই। আপনি কি রাজি?’ আবার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, পাগল সেজে একটি তরুণ এক স্কুলছাত্রীকে দৌড়াচ্ছে। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি মেয়ের মোবাইল নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে একজন তরুণ।
প্র্যাংক ভিডিওর শিকার এমনই একজনের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। তিনি বলেন, ‘‘আমি একদিন চন্দ্রিমা উদ্যানে গিয়েছি আমার বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করতে। ও আসেনি, তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করছিলাম। এরই মধ্যে একটি ছেলে এসে আমাকে বলে, আপু আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই। আমি বলি, বলুন? এটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই সে পেছন থেকে একটি সাপ বের করে আমার সামনে ধরে। তখন আমি হঠাৎ দেখেই ভেবেছিলাম, সেটা হয়তো সত্যিই সাপ। আমি ভয়ে দৌড় দেই। দৌড়াতে গিয়ে আমি ইটের সঙ্গে বাধা পেয়ে রাস্তার ওপর পড়েও যাই। পড়ে গিয়ে প্রচুর ব্যথা পাই। এসময় আমার এমন দৌড় দেখে চারদিকের মানুষগুলো অনেক জোরে জোরে হাসছিল। এক পর্যায়ে ওই ছেলেসহ আরও কয়েকজন এসে আমাকে বলে, ‘আপু আমরা প্র্যাংক (কৌতুক) করেছি।’ কিন্তু আমি তখনও ভয়ে কাঁতরাতে থাকি। মনে হচ্ছিলো, আমি ওদের সবগুলোকে ধরে ইচ্ছামতো মার দেই। কারণ, ওরা আমার দুর্বলতা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলো। আমি ওইদিন রীতিমত হেনস্থার শিকার হলাম।’’
ঠিক এভাবেই ওই দিনের কথা বাংলা ট্রিবিউনের কাছে বর্ণনা করছিলেন রোজিনা (ছদ্মনাম)। তিনি বলেন, ‘ওই দিন আমি বাসায় আসার পরে মনে হয়েছে ছেলেগুলো যদি আমাকে নিয়ে করা ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশ করে এবং সেটা যদি আমার পরিচত আত্মীয়-স্বজন দেখে তখন আমার মান সম্মান কোথায় গিয়ে ঠেকবে? আমাকে নিয়ে আমার বন্ধু-বান্ধবও মজা করা শুরু করবে। তাছাড়া আ