শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

আলেম কাকে বলে? হক্কানী আলেম চেনার উপায় কী? ডা. জাকির নায়েক কি আলেম?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আলেম শব্দের শাব্দিক অর্থ হল জ্ঞানী। কিন্তু প্রতিটি সমাজ ও রাষ্ট্রে শব্দের আলাদা একটি পারিভাষিক অর্থ থাকে। যে এলাকায় উক্ত শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সে এলাকায় সে শব্দটি দিয়ে উক্ত পারিভাষিক অর্থটিই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। শাব্দিক অর্থ নয়।

যেমন শায়েখ। শায়েখ শব্দের অর্থ হল বয়স্ক, বুড়ো। কিন্তু আরবে এর দ্বারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত, ডিগ্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝানো হয়ে থাকে।

আরবে যেমন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত এবং ডিগ্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শায়েখ বলা হয়। তেমনি আমাদের উপমহাদেশে আলেম বলতে এমনি দ্বীনী প্রতিষ্ঠান থেকে কুরআন, সুন্নাহ ও ফিক্বহে ইসলামী সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত এবং ডিগ্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আলেম বলা হয়ে থাকে।

ডাক্তার জাকির নায়েক কোন আলেম নয়। তিনি একজন স্বঘোষিত গবেষক। মাসায়েল বিষয়ে যিনি মারাত্মক গলদ ফাতওয়া প্রদান করেছেন। অথচ তার এসব ফাতওয়া দেয়ার কোন অধিকার নেই। বাকি তুলনামূলক ধর্মতত্বের উপর তার বক্তব্যগুলো খুবই উপকারী এবং চমৎকার। কিন্তু মাসআলা মাসায়েলের ক্ষেত্রে তার অবস্থানটি ভুল এবং বিভ্রান্তিকর।

হক্কানী আলেম চেনার উপায় কী?

একজন সাধারণ দ্বীনদার ব্যক্তিদের জন্য হক্কানী আলেম চিনার সবচে’ সহজ পদ্ধতি হল, যে আলেমের চেহারা ও পোশাকে সুন্নতের ছাপ রয়েছে, কথায় আচরণে তাকওয়া পরহেযগারী, দাওয়াত ও তাবলীগের প্রতি মোহাব্বত রাখে, হক তাসাউফের প্রতি বিশ্বাস রাখে, বিদআতের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে, সুন্নতের প্রতি থাকে সদা আগ্রহী, এবং এ উপমহাদেশে ইসলাম আসার পর থেকে নিয়ে সুন্নাহ সম্মত যে পদ্ধতিতে দ্বীন পালন হয়ে আসছে সে পদ্ধতির পূর্ণ ধারক বাহক হয়, ভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে না, উক্ত ব্যক্তিকে আপনি হক্কানী আলেম হিসেবে বুঝে নিতে পারবেন।

আরো সহজ হচ্ছে, যদি কোন ব্যক্তি উলামায়ে দেওবন্দের মত ও পথকে শ্রদ্ধা করে, এটিকে হক মনে করে, তাহলেই বুঝে নিবেন লোকটি আহলে হক উলামা।

উত্তর দিয়েছেন: মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
পরিচালক, তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

সূত্র: আহলেহক মিডিয়া


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ