মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভুক্ত : প্রতিবাদে গার্ড অব অনার ও বীর খেতাব বর্জন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জামালপুরের মেলান্দহের বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন তাঁর বীর খেতাব এবং মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন বর্জন করেছেন।

কারণ হিসেবে ১২ ডিসেম্বর আবুল হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন-মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান-মর্যাদাকে যথাযথভাবে রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রস্তুতের জন্য সরকার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। কোনভাবেই যেন অমুক্তিযোদ্ধা-মুক্তিযোদ্ধা হতে না পারে।

কিন্তু দু:খের বিষয় হচ্ছে, রাজনৈতিক প্রভাবসহ এক শ্রেণির প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অর্থের বিনিময়ে অবৈধপথে চুক্তিভিত্তিক সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়ে অমুক্তিযোদ্ধাদের-মুক্তিযোদ্ধা বানাচ্ছেন। এতে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মা, মুক্তিযোদ্ধাদের গর্বিত উপাধি বীরের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন, অপব্যবহার এবং মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদার ভাগীদার করা হচ্ছে ভূয়ামুক্তিযোদ্ধাদের। যা তিনি সহ্য করতে পারছেন না।

এতেই শেষ নয়; প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কোটা-সন্তান-নাতি-পুতির কোটাও দখল করে চলেছে ভুয়াদের লোকেরা। অনেকেই আবার আহত না হয়েও যুদ্ধাহত ভাতা গ্রহণের মাধ্যমে পুরো মুক্তিযোদ্ধার সমাজ-মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।

জামুকা এবং মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়েও অসৎ উপায়ে ভূয়ামুক্তিযোদ্ধার পাল্লা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। সারাদেশ থেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতেও ভুয়ামুক্তিযোদ্ধা বানানোর পথ ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা-মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাও এখন ভূয়ামুক্তিযোদ্ধাদের শাসন-শোষণের শিকার হচ্ছেন।

অবশেষে মৃত্যুর পরও এই ভূয়ামুক্তিযোদ্ধারা গার্ড অব অনারে ভাগীদার হতে যাচ্ছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে নানা সমালোচনা চলছে।

অপ্রিয় হলেও সত্য, বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার নাম শুনলেই চুক্তিযোদ্ধা বলেও উপহাস করছেন। যা একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেকের তাড়নায় স্বেচ্ছায়-স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে তিনি বীর উপাধি এবং মৃত্যুর পর গার্ড অব অনার বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।

এ ব্যাপারে ইউএনও তামীম আল ইয়ামিন জানান-এই ধরণের এক আবেদন পেয়েছি। মুক্তিযোদ্ধারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আবুল সাহেবের মনে হয়ত কোন অভিমান বা ক্ষà