বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট

মাল্টা এখন বিদেশি ফল নয়, দেশের এক জেলায় ৭০০ বাগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাল্টাকে বিদেশি ফল হিসেবেই চেনে সবাই। কিন্তু মাল্টা এখন আর বিদেশি ফল নয় এখন। দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ মাল্টা। দেশে মাল্টার চাহিদার অনেকাংশই পূরণ হচ্ছে দেশি খাত থেকে।

দেশে মাল্টা চাষ শুরু হয় সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলে। কিন্তু জনপ্রিয়তা পায় নি সেখানে। জনপ্রিয়তা পেয়েছে সমতলে। শুধু পিরোজপুর জেলায় রয়েছে ৭০০ মাল্টা বাগান।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সেখ জানান, গত দুই বছরে জেলায় মাল্টা চাষে বৈপ্লবিক যে পরিবর্তন এসেছে তার উপরে ভিত্তি করে সরকার জেলার ব্র্যান্ডিং করেছে মাল্টাকে। দেশের মধ্যে পিরোজপুরকে মাল্টা চাষের মডেল হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রায় সাতশ বাগান এ জেলায় গত ২/৩ বছরে গড়ে উঠেছে।

কৃষকদের মাঝেও সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। শুধু পিরোজপুর পৌর এলাকার একটি নার্সারিসহ নেছারাবাদের (স্বরূপকাঠি) বিভিন্ন নার্সারি থেকে ১০ লাখেরও বেশি চারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়েছে। আগামীতে দেশে পিরোজপুর মাল্টার জেলা হিসাবে গৌরবময় পরিচিতি অর্জন করবে।

পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আবুল হোসেন তালুকদার জানালেন, জেলার একটি কৃষি প্রকল্পের মাধ্যমে মাল্টা চাষকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করা সম্ভব হয়েছে মাত্র দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে। ২০০৭-২০০৮ সালে এ জেলায় মাত্র একটি মাল্টা বাগান ছিল যা এখন ৬৭০টি।

শুধু সদর উপজেলায় চাষিরা ২১২টি মাল্টা বাগান সৃজন করেছেন। এছাড়া নেছারাবাদে ১৭০, নাজিরপুরে ১২০, মঠবাড়িয়ায় ৫৪, কাউখালীতে ৫০, ভান্ডারিয়ায় ৩৮ এবং ইন্দুরকানিতে ২৬টি বাগান রয়েছে। জেলার ৬৭ হেক্টর জমি মাল্টা চাষের আওতায়। এসব বাগানে প্রায় ৭৫ হাজার মাল্টা চারা রয়েছে। এসব চারা এই জেলারই নেছারাবাদ উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি থেকে সংগৃহীত। নেছারাবাদের নার্সারি চাষিরা অনেক দিন ধরে অন্যান্য ফুল-ফলের সাথে মাল্টার চারাও উত্পাদন করে আসছেন।

প্রসঙ্গত, মাল্টা লেবু জাতীয় জনপ্রিয় মিষ্টি ফল। এ ফলটির ইংরেজি নাম ‘সুইট অরেঞ্জ’ এবং বৈজ্ঞানিক নাম ‘সাইট্রাস সিনেসিস’। বিশ্বে উত্পাদিত লেবু জাতীয় ফলের দুই-তৃতীয়াংশ হচ্ছে মাল্টা। ব্রাজিল ও আমেরিকায় মাল্টার ফলন হয় বেশি। আমাদের দেশে সাধারণত ফাল্গুন মাসে ফুল আসার পর প্রায় পাঁচ মাস অপেক্ষা করতে হয় পরিপক্ব ফল তোলার জন্য।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ