মুহাম্মদ লুৎফেরাব্বি
আল আযহার থেকে
মিসরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদ থেকে উলুমুল হাদিস বিভাগের অধীনে কৃতিত্বের সাথে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন বাংলাদেশী গবেষক ড. মুহাম্মাদ নুরুল আবছার। তার গবেষণার বিষয় ছিল- ইমাম ইবনে আবী হাতিম আল-রাযী রা. (ইন্তিকাল ৩২৭ হিঃ)।
রচিত ‘ইলালুল হাদীস’ গ্রন্থের মতানৈক্যপূর্ণ সূত্রের হাদীসসমুহের মধ্যে ইমাম আবু হাতিম আল-রাযী রা. (ইন্তিকাল ২৭৭ হিঃ) এবং ইমাম আবু যুরআ আল-রাযী র. (ইন্তিকাল ২৬৪ হি.) কর্তৃক অগ্রাধিকার প্রধান কিংবা সামঞ্জস্য বিধানের সুক্ষ কারণগুলোর উদঘাটন এবং সেগুলোর তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক গবেষণা।
গত ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ ইং ধর্মতত্ত্ব বিভাগের ড. আবদুল হালিম মাহমুদ কনফারেন্স হলে মিসরের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে নিয়ে বিকেল ৫-৩০ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টাব্যাপী ডিসকাশন চলে। চার খণ্ডে ২০০০ পৃষ্ঠার বিশাল গবেষণাপত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর পর্যালোচনার পর ২ জন সুপারভাইজার এবং ২ জন বিচারকের সর্বসম্মতিক্রমে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ অভিসন্দর্ভের জন্য তাকে আল আযহারের ধর্মতত্ত্ব বিভাগ থেকে হাদীস শাস্ত্রে ফার্স্টক্লাস এক্সিলেন্ট গ্রেডে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয় এবং এর পাশাপাশি গবেষণাকর্মটির সাফল্য ও গুরুত্ব বিবেচনা করে এটির প্রকাশ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এর কপি প্রেরণের অনুরোধ করা হয়।
(awarded his phd. with excellence and recommendation of priting the thesis to exchange between universities).
ড. মুহাম্মাদ নুরুল আবছার একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে এমফিল ডিগ্রী লাভ করেন। এর পূর্বে তিনি ধর্মতত্ত্ব অনুষদ থেকে উলুমুল হাদিস বিভাগের অধীনে বি.এ অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।
উল্লেখ্য, তার গবেষণাটি ছিল হাদীস শাস্ত্রের সবচেয়ে জটিল বিষয় ‘ইলালুল হাদীস’ বিষয়ে। হাদীস শাস্ত্রে এ কথা প্রসিদ্ধ, দুনিয়ায় মুহাদ্দিসের অভাব কোন দিন ছিল না। কিন্তু ‘ইলাল’ বিষয়ে অভিজ্ঞ মুহাদ্দিস হাদিস শাস্ত্রের স্বর্ণযুগেও খুবই অপ্রতুল ছিল।

যদি এমনটাই হয় তাহলে বর্তমানে ইসলামি জ্ঞানের এই খরার যুগে তা কোথায় গিয়ে ঠেকছে তা বলাই বাহুল্য। এই কথাটির পুনরাবৃত্তি করে থিসিসের মূল সুপারভাইজার হাদীস শাস্ত্রের বিখ্যাত মণীষী প্রফেসর ড. আহমাদ মা’বাদ আব্দুল করিম বলেন, ‘এ অনন্য গবেষণাকর্মের তাৎপর্য হলো, আপনি এমন একটি জটিল বিষয়ের গবেষণায় সাফল্যের স্বাক্ষর রà