হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় মারকাজ দিল্লি নিজামুদ্দিনের জিম্মাদার মাওলানা সাদ কান্ধলভির কিছু বক্তব্য নিয়ে দীর্ঘদিন পক্ষে-বিপেক্ষ মতামত দেখা দিয়েছে৷
মাওলানা সাদ কান্ধলভির একাধিক বক্তব্যে আপত্তি জানিয়ে আসছেন আলেমরা। আপত্তিকর বলে চিহ্নিত করেছে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দসহ এ দেশের আলেমরা।
এ বিষয়ে গত বছরের শুরুতে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাওলানা সাদ কান্ধলভির বক্তব্যের বিষয়ে ভিন্নমত দিয়ে চার পৃষ্ঠার একটি ফতোয়া প্রকাশ করে৷ এ ছাড়াও দেওবন্দ একাধিকবার চিঠি ও মতামত প্রকাশ করেছে।
মাওলানা সাদ কান্ধলভিও একাধিকবার তার বক্তব্য লিখিত ও মৌখিকভাবে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। যদিও তার ব্যাপারে বক্তব্য আছে তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার করে ফের সে বক্তব্য দেন।
এসবের মধ্যেই সম্প্রতি ভারতের সাহারানপুরের মাজাহিরে উলুমের শিক্ষাসচিব ও মাওলানা সাদ কান্ধলভির শ্বশুর, ফাজায়েলে আমলগ্রন্থসহ শতগ্রন্থের লেখক, শাইখুল হাদিস শায়খ যাকারিয়া রহ. এর মেয়ের জামাই মাওলানা সালমান ২১ পৃষ্ঠার একটি উর্দু গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। বইয়ের বিষয় মাওলানা সাদ কান্ধলভির ওপর আরোপিত প্রশ্নের জবাব!
গ্রন্থটি ভারত বাংলাদেশসহ অনেক আলেম ও তাবলিগি জিম্মাদারদের কাছে পৌঁছেছে। আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছেও সেই গ্রন্থের একটি কপি পৌঁছেছে।
মাওলানা সাদ কান্ধলভির আপত্তিকর বয়ানের মোট ১৮ টি বিষয় তুলে এনেছেন গ্রন্থে। জবাব দিয়েছেন বিভিন্ন তাফসির, হাদিসের ব্যখ্যাগ্রন্থ, বিভিন্ন কিতাব ও পূর্ববর্তী বিশেজ্ঞ আলেমের বক্তব্য ও যুক্তির আলোকে।
মাওলানা সাদ কান্ধলভির ওপর আরোপিত যেসব কথা তিনি ওই রেসালায় উল্লেখ করেছেন তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো!
এক. ‘সুরা ত্ব-হার ৮৫ নং আয়াতে উল্লিখিত হজরত মুসা আ. বিষয়ে আলোচনায় সাদ কান্ধলভির ভুল ব্যাখ্যা প্রদান ও হজরত মুসা আ.এর শানে বেআদবি!'
এখানে মাওলানা সালমান বেশ কিছু তাফসির গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, মাওলানা সাদ যা বলেছেন তা তাফসিরগুলো সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও ইশারা ইঙ্গিত থেকে ওই কথাই বুঝা যায়৷ সুতরাং মাওলানা সাদ কান্ধলভি