শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আদ-দ্বীন থেকে রেফার রোগীদের চিকিৎসায় ৬ সরকারি হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ হাজি, ৫০ জনের মৃত্যু ফেনীর মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল, জানাজা বিকাল ৩টায় হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী যুব আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী ও থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন দায়িত্বে মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি গুজরাটে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শতাধিক মুসলিম বাড়ি রাশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমিরে মজলিস

৭ বছরের যুদ্ধে গুড়িয়ে দেয়া সিরিয়া গড়বে কিশোর মুহাম্মদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতাউর রহমান খসরু: সিরিয়ার সবচেয়ে বিধ্বস্ত নগরী আলেপ্পো। এখানকার জীবন সবচেয়ে অনিশ্চিত। গত ৭ বছর ধরে এখানে বিভিন্ন গোষ্ঠীর যুদ্ধে অধিকাংশ শহর ধ্বংস স্তুপ ও জঞ্জালে পরিণত হয়েছে।

আলেপ্পো অবস্থা সবগুলোর চেয়ে করুণ। কেউ বলতে পারে না কবে সিরিয়ার পুনর্নির্মাণ সম্ভব হবে এবং তা কে করবে।

কিন্তু সিরিয়ান কিশোর মুহাম্মদ আল কুতাইশ স্বপ্ন দেখে আলেপ্পো শহর পুনর্নিমাণের। ১৪ বছরের কিশোর কুতাইশ আলেপ্পো শহরের ভবিষ্যত মডেলও তৈরি করেছে। তার বাবা-মা তাকে স্বপ্নের শহরের রূপরেখা তৈরিতে সাহায্য করছে।

কুতাইশ একজন উদ্বাস্তু ও যুদ্ধাহত প্রতিবন্ধী। কিন্তু তার স্বপ্নে আর কর্মে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।

কয়েক বছরের প্রচেষ্টায় গড়ে তোলা তার শহরে আধুনিক আলেপ্পোর দেখা পাওয়া যাবে। যাতে রয়েছে রঙিন ভবন, আকাশচুম্বী বিল্ডিং, সবুজ পার্ক, পাহাড়ি উপত্যকা, আধুনিক রেলপথ ও রাস্তা।

আলেপ্পোর পর্যটন স্পটগুলোও পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। বোমা বর্ষণের কারণে যা আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কুতাইশ তার স্বপ্নের শহর গড়ে তুলেছে কাগজ, রঙ-তুলি ও স্পঞ্জ দিয়ে। কিন্তু তার এ অসাম্যান্য প্রচেষ্টা স্থান করে নিয়েছে নিউইয়র্ক জাদুঘরে। অতি শিগগির তা স্থান পাবে লন্ডনের ভিক্টোরিয়া ও আলবার্ড জাদুঘরেও।

কুতাইশের স্বপ্ন যখন সে বড় হবে তখন তার কাগুজে বিল্ডিং সত্যিকার বিল্ডিং হবে। আগামী প্রজন্ম নতুন শহর নির্মাণে অবদান রাখবে। সবাই তাদের উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করবে।

তার ভাষ্য, যদি কোনো শিশু নতুন কিছু উপহার দিতে চায় তবে তাকে সাহায্য করা উচিৎ।

তার ভাবনা হলো, পরিস্থিতি যাই হোক আমি আমার লেখাপড়া শেষ করবো। আমি কখনো সিরিয়া ছেড়ে যাবো না। আমি যা দেশের বাইরে করতে পারবো তা দেশের ভেতরেও করতে পারবো।

কুতাইশের স্বপ্ন একদিন সে এবং তার প্রজন্মের সিরিয়ান শিশুরা আলেপ্পো শহর পুনর্নির্মাণ করবে।

সূত্র: mvslim.com

ইসলাম নিয়ে পিউ রিসার্চের গবেষণার অজানা ৫ তথ্য


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ