মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

যে দেশে ৪০০ বছরে একবারও কুরআন তিলাওয়াত বন্ধ হয় নি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: পবিত্র কাবা ও মদিনা শরিফে প্রতিনিয়তই কুরআন তিলাওয়াত হয়ে থাকে। কিন্তু এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন একজন তুর্কি সুলতান এমন কীর্তি রচনা করেছেন যে তার সালতানাতে দীর্ঘ ৪০০ বছরের মধ্যে একবারের জন্যও কুরআন তিলাওয়াত বন্ধ হয় নি।

তুর্কি সুলতান সালিমের খেলাফত প্রাপ্তির পর তিনি মিসর থেকে ইস্তাম্বুলে ফিরে আসেন। তার  কাছে রাসুল সা.এর বরকতময় কিছু জিনিস ছিলো। সেগুলো সংরক্ষণের জন্য বিশেষ একটি ঘর নির্মাণ করেন। যা তিনি নিজেই পরিস্কার করতেন।

আর এই ঘরের পাশেই কুরআন তিলাওয়াতের ব্যবস্থা করেন। কয়েকজন দক্ষ হাফেজকে নিয়োগ দেন। যারা শিফট ভাগ করে তেলাওয়াত জারি রাখতেন।

এভাবে দিন রাতের কখনোই এক মিনিটের জন্যও তিলাওয়াত বন্ধ হতো না। তার পরবর্তী সুলতানগণও এ ধারা জারি রাখেন। ফলে ৪০০ বছর পর্যন্ত এ ব্যবস্থা চলতে থাকে।  কিন্তু তুর্কি সালাতানাতের পতনের পর এ পবিত্র ধারা বন্ধ হয়ে যায়।

সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ