মুজাহিদুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
‘বায়ান হুতি’
বিমান হামলা ও ধংসস্তুপের মাঝেই হাজার হাজার মানুষের অবরুদ্ধ শহর পূর্ব গৌতার বাড়িগুলোর ভূগর্ভস্হ সেলের মাঝে ঘুরে ফিরছেন এক নারী সেবিকা; আহতদের সাহায্য করছেন,অসুস্হদের সেবাশুশ্রসা করছেন আর এভাবেই চলছে বছরধরে চলতে থাকা অবরুদ্ধ ও যুদ্ধেবিপর্যস্ত পূর্ব গৌতার এক সংগ্রামী নারী ’উম্মেদিয়াত’এর সংগ্রাম।
যখন বিশ্বনারীরা ‘আন্তর্জাতিক নারীদিবসে’জাকজমকপূর্ণ হলরুমে পাশ্চাত্য স্টাইলে নারীদিবস পালন করছে, তখন জাকজমকপূর্ণ হলরুমের বাইরে পূর্ব গৌতার নারীরা আঠার দিন থেকে মাটির নিচের সেলে জীবনযাপন করছে এবং মৃত্যু তাদের স্হায়ী সাথী।
চল্লিশের কোঠায় থাকা এই ‘গৌতাসেবী’নারী বিমান হামলায় তার সব সন্তান হারিয়ে শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে এ অঞ্চলের বিপর্যস্ত মানুষের সেবার প্রতীক হয়ে দাড়িয়েছেন।
তিনি সব সময় তার ব্যাগে আবশ্যিক চিকিৎসা সরন্জামাদি নিয়ে ঘুরতে থাকেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভূতের শহরে ঘুরে ফিরে চলছেন তিনি, যেখানে মৃত্যু ও ধ্বংস্তুপ ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না।”
উম্মেসামিহ
পূর্ব গৌতার আরেক নারী ‘উম্মেসামিহ’ যিনি এ অঞ্চলের মানুষের কষ্টহ্রাসে কাজ করে চলছেন; অনেক পরিবার বোম্বিং চলাকালে তার সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করে, যে মৃত্যু তাকে তাড়িয়ে ফিরছে তার ভয় উপেক্ষা করে তিনি তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন।
‘লায়লা বাকরি’
একনারী কর্মী ‘লায়লা বকরী’ ‘উম্মেসামিহ’ সম্পর্কে বলেন, আমার পক্ষে বা যেকোনো মানুষের পক্ষে উম্মে সামিহকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়; সে চরম প্রতিবাদী, দাতাদের থেকে সহযোগিতা গ্রহণ করে ভূগর্ভস্হ সেলের মানুষের কাছে খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে দেয়।
আলজাজিরাকে দেয়া একসাক্ষাৎকারে ‘বাকরি’ গৌতার নারীদের অবস্হার বর্ণনা দেন; বর্তমানে এখানে নারীদের অবদানই সবচে বড়, কারণ পুরুষরা হয় আটক নয় নিখোজ অথবা শহীদ কিংবা লড়াইয়ের ময়দানে!
তিনি আরো বলেন, কিছু নারী লড়াইয়ের ময়দানে সাহায্য করছে, কিছু নারী চিকিৎসার কাজে আছে আবার কিছু নারী ভূগর্ভস্হ এক সেল হতে আরেক সেলে আহতদের ড্রেসিং ও রোগীদের শুশ্রসার জন্য নিয়োজিত রয়েছে!
তা ছাড়া আরো বড় একটি কাজ যা গৌতার নারীরা করছে, বিভিন্ন সেলে ঘুরে ঘুরে নারী ও শিশুদের বৈঠক করে তাদের চাপ কমানো এবং মানসিক শক্তি বাড়ানোর কাজ করছেন, পাশাপাশি রাসায়নিক হামলা হলে কীভাবে আত্à¦