শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

‘নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাব্বির জাদিদ

ছবিটি ১৯৭২ সালের। ধানমন্ডি ক্লাব মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গিয়েছিলেন ঈদের নামাজ আদায় করতে। নামাজের ইমাম ছিলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ যাকারিয়া র.।

জামাতের সময় হয়ে গেলে ইমাম সাহেব নামাজ পড়াতে দাঁড়িয়ে যান। বঙ্গবন্ধু তখনো উপস্থিত হননি। সরকারের প্রভাবশালী এক কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গবন্ধু আজকের জামাতের প্রধান অতিথি। তাঁর জন্য অপেক্ষা করুন।

যাকারিয়া সাহেব বললেন, নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না। ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু মাঠে প্রবেশ করছেন। ইমামের ঘোষণা তাঁর কানে গেছে।

নির্ধারিত স্থানে নামাজ পড়ে বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। নামাজের কোনো প্রধান অতিথি নাই। এরপর বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে তার বাসায় দাওয়াত দেন।

ক'দিন পর ইমাম যাকারিয়া সাহেব বঙ্গবন্ধুর বাসায় যান বেড়াতে। আপ্যায়ন শেষে ইমাম সাহেবকে শেখ রাসেলের কোরআন শেখানোর দায়িত্ব দেন বঙ্গবন্ধু।

ছবিতে বঙ্গবন্ধু, শেখ রাসেল, জিল্লুর রহমান ও ইমাম যাকারিয়া সাহেব।

পুনশ্চ: সেদিনের ইমাম মাওলানা যাকারিয়া র.-এর কাছে আমি আরবি ব্যাকরণ পড়েছি। সেই অর্থে শেখ রাসেল এবং আমার শিক্ষক একইজন।

তথ্য ও ছবিঋণ: প্রিয় শিক্ষক Nurun Nabi সাহেব।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ