শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

ফ্রান্সে কুরআনের আয়াত মুছে ফেলার আহবান : মুসলিমদের নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওমর ফাইয়ায : ফ্রান্সের ২৫০ জন রাজনীতিক পিটিশন ইস্যু করে মুসলমানদেরকে কুরআনের কায়েকটি আয়াত মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ আয়াতগুলো ইহুদি-খৃষ্টানদের হত্যা ও শাস্তির কথা বলে।

ফ্রান্সের গ্রান্ড মসজিদ দলিল বু বকরের প্রধান বলেন, এটি একটি অন্যায় ও হাস্যকর বক্তব্য। এটা বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থানের জন্য ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, ফ্রান্সের মুসলিম নাগরিকরা এমন একটি পিটিশন আশা করেনি। বরং মুসলমানরাই দশকের পর দশক ধরে বর্ণবাদ ও ধর্মীয় সহিংসতার শিকার হয়ে আসছে এবং এর নিন্দা জানাচ্ছে।

ইসলাম ফোবিয়া বিষয়ে একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান আব্দুল্লাহ যুকরা এই পিটিশনটিকে ভয়াবহ ও বিপজ্জন বিতর্ক বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তিনি ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই পিটিশনটি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় চেহারা দেখাতে ইচ্ছুক কিছু অদ্ভূত রাজনীতিকের কাজ তারা ইসলাম ও মুসলমানদেরকে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের মাধ্যম বানিয়েছে।

বুরদু মসজিদের ইমাম তারেক বলেন, কুরআন হত্যাকাণ্ড ঘটাতে বলে এটা খুবই স্থুল ও হাস্যকর একটা অভিযোগ।

তিনি কঠোর ভাষায় এই মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, কুরআন আরবীতে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি নিশ্চিত যারা পিটিশনটি ইস্যু করেছেন তারা কুরআনের সেই আয়াতগুলোর অনুবাদ বা ব্যখ্যা পড়েছেন। তাদের পাঠ করা অনুবাদ বা ব্যখ্যাটি যথাযথ নাও হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, অথবা ধর্মীয় টেক্সেটের পাঠের সাথে অপরিচিতিই তাদেরকে উত্তেজিত করেছে। তারা যদি কুরআনের আয়াতগুলোকে হিংসাত্মক বলেন তাহলে ইঞ্জিলসহ সব পবিত্র গ্রন্থকেই হিংসাত্মক বলতে হবে।

সূত্র: আল জাজিরা আরবী

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ