শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ইরানে বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে কেন মসজিদ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানে চলছে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। রাজধানীর রাজপথ থেকে অলিগলি—বিক্ষোভকারীদের রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছে না ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদও। গত কয়েক দিনে ইরানে দুই ডজনেরও বেশি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থাপনাকে টার্গেট করছে বিক্ষোভকারীরা?

ইরানের বিক্ষোভে মসজিদ লক্ষ্যবস্তু হওয়ার প্রধান কারণ হলো দেশটিতে মসজিদের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা। মসজিদগুলোকে কেবল ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, ইরানে মসজিদগুলো এখন আর কেবল জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নেই। কারণ এগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রতিটি প্রদেশে খতিবদের সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অনেক মসজিদে সরকারের অনুগত আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভ দমনে সরাসরি অংশ নেয়। ফলে মসজিদগুলো বিক্ষোভকারীদের কাছে দমন-পীড়নের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চার দশকেরও বেশি সময়ের লৌহকঠিন শাসনে এমন জনবিস্ফোরণ আগে কখনো দেখা যায়নি। ইরানের সংবিধানের ১৮৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী কিংবা সংগঠন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করে— তাহলে ওই গোষ্ঠীর বা সংগঠনের সব সদস্যকে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু বলে গণ্য করা হবে। এরই মধ্যে ইরানের বিক্ষোভরত জনতাকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকার। আর ইরানের সংবিধান অনুযায়ী আল্লাহর শত্রুদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ