শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

৪৩ বছরের প্রচেষ্টায় পা হারানো শিয়ার এভারেস্ট জয়!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ৪৩ বছরের প্রচেষ্টায় এভারেস্ট জয় করলেন চীনের পর্বতারোহী শিয়া বোও। কৃত্রিম পা নিয়ে দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণ করলেন তিনি গতকাল সোমবার সকালবেলা। এর আগে ১৯৭৫ সালে এভারেস্টের কাছাকাছি গিয়েও ঠাণ্ডার তীব্রতায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে পায়ে  ক্যান্সার দেখা দেয়।

ক্যান্সারের কারণে ১৯৯৬ সালে হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলতে হয় তার পা। এরপর থেকে কৃত্রিম পা নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন নিয়মিত। অবশেষে ৬৯ বছরে শিয়া বোও কৃত্রিম পায়ে ভর করেই ২৯ হাজার ২৯ ফুট উঁচুতে ওঠেন। এভারেস্টর চূড়ায় মেলে ধরেন চীনের পতাকা।

বিবিসি ও টাইমের খবরে বলা হয়, রেকর্ড গড়েছেন শিয়া বোও। কারণ, এর আগে দুই পা নেই এমন কেউ নেপালের দিক থেকে এভারেস্টর চূড়ায় উঠতে পারেননি।

১২ বছর আগে ২০০৬ সালে দুই পা হারানো পর্বতারোহী নিউজিল্যান্ডের মার্ক ইঙ্গলিস এভারেস্টে উঠেছিলেন চীনের তিব্বতের দিক থেকে। নেপালের দিকের চেয়ে তিব্বতের দিক দিয়ে চূড়ায় ওঠাকে অপেক্ষাকৃত সহজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯৭৫ সাল থেকে শিয়া বোও এভারেস্টে ওঠার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। গত বছর নেপাল সরকার দুই পা নেই—এমন কেউ এবং অন্ধদের জন্য এভারেস্টে ওঠা নিষিদ্ধ করে দেয়। এরপরই হতাশায় পড়েন শিয়া বোও। তবে এ বছর মার্চে নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সরকারের ওই নিষেধাজ্ঞা বেআইনি ঘোষণা করে।

এর পরের মাসে তিনি পঞ্চমবারের মতো এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার অভিযান শুরু করেন। চূড়ায় পৌঁছানোর খবর বিশ্বব্যাপী মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন উইচ্যাটে শেয়ার করেন শিয়া বোও। ২৫ বছর বয়সে প্রথম এভারেস্টে ওঠার চেষ্টা করা শিয়া লেখেন, ‘এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছেছি নেপালের সময়ে সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে! ৪০ বছরের স্বপ্ন পূরণ হলো।’

শিয়া বোও ১৯৭৫ সালে তাঁর প্রথম অভিযানে এভারেস্টের চূড়ার কাছাকাছি গিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই অসুস্থতার কারণে পায়ে ক্যানসার হয়। ১৯৯৬ সালে হাঁটুর নিচ থেকে তাঁর দুই পা কেটে ফেলতে হয়। কিন্তু হার না–মানা দলের সদস্য অদম্য শিয়া বোও হার মানেননি।

২০১৪ এবং ২০১৫ সালে অভিযানের জন্য নেপালে যান। ২০১৪ সালে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং ২০১৫ সালে ভূমিকম্পের পর দুর্ঘটনার সম্ভাবনার জন্য নেপাল সরকার দুবারই পর্বতারোহণ বন্ধ রেখেছিল। ছাড়ার পাত্র নন তিনি।

২০১৬ সালেও চেষ্টা চালান। মাত্র ২০০ মিটার ওঠার পর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁকে ফিরেতে হয়েছিল। এক বছর বাদে এ বছর তিনি এভারেস্ট জয় করেন।

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সারাদেশে উৎসব করবে সরকার
ইসরায়েল একটি ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’: এরদোগান


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ