শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

রমজানে মানবেতর জীবন যাপনে রোহিঙ্গারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: নির্যাতনের মুখে  দেশ থেকে পালিয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অনেককে এবার অন্যরকম রমজান মাসের মুখোমুখি হতে হচ্ছে৷ তীব্র গরম তাদের জন্য নানারকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। আর আগের চেয়ে সাহায্য খুবই কমে গেছে। ফলে এখন খাবার খুব কম পায় রোহিঙ্গারা।

default
উপরের এই ছবির ছেলেটির নাম হাশিম৷ এএফপির সঙ্গে আলাপকালে ১২ বছরের ছেলেটি নিজের দেশে রোজার সয়মগুলোতে তার সুখের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছে৷
পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে ইফতার করা, মেন্যু হিসেবে মাছ-মাংসের বিশেষ খাবার, যা শুধু রোজার মাসেই রান্না করা হয়, ঈদের সময় উপহার পাওয়া, নামাজের আগে মাঠে গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, এসব কথা জানিয়েছে সে৷
default
শরণার্থী শিবিরে থাকা শিশুদের জন্য এবারের রোজা স্মরণীয় হবে, তবে তা সম্পূর্ণ ভুল কারণে, মনে করেন কক্সবাজারে কর্মরত সেভ দ্য চিলড্রেন কর্মকর্তা রবার্টা বুসিনারো৷ এখানে শিশুদের খেলার জন্য শুধু ময়লা আর কাদা ছাড়া কিছু নেই৷

default

গরমসহ অন্যান্য সমস্যা থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গারা রোজা রাখছেন বলে জানান ইমাম মুহাম্মদ ইউসুফ৷ ‘সূর্যের প্রচণ্ড তাপ থাকায় কঠিন হবে, তবে তবুও আমরা রোজা রাখব,’ বলেন তিনি৷

default

সুখের কথা বলার পরপরই হাশিম বর্তমানে ফিরে আসে৷ এবারের রমজান সুখের হবে না তা বুঝতে পেরে কিছুটা দুঃখিত হয় সে৷

অবশ্য পরক্ষণে অন্যদের কথা ভেবে নিজেকে কিছুটা ভাগ্যবান ভাবতে শুরু করে৷ কারণ সে তো তাও পরিবারের সঙ্গে আছে, এমন অনেক শিশু আছে যাদের সঙ্গে পরিবারের কেউ নেই, একেবারে একা৷

default

শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের কাজের অনুমতি নেই৷ ফলে তাদের আয়ও নেই৷ তাই ইফতার আর সেহরিতে ভালোমন্দ খাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তা পূরণের উপায় নেই৷

ঈদের সময় কাউকে উপহার দেয়া কিংবা পাওয়া, কোনোটারই সম্ভাবনা নেই৷ ত্রাণ সংস্থার দেয়া খাবার আর জামাকাপড়ই তাদের একমাত্র সম্বল৷

default

আরেকটি সমস্যার কথা জানিয়েছে হাশিম৷ তীব্র গরম৷ ‘আমরা এখানে বার্মার মতো রোজা করতে পারব না, কারণ খুব গরম৷ এখানে কোনো গাছ নেই৷ ত্রিপলও গরম৷ দিনের বেলায় এটি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ ফলে রোজা রাখা খুব কঠিন৷’

সূত্র: এএফপি, সৌদি গ্যাজেট, ডয়েচে ভেল

আরো পড়ুন- রমজানের শুরুতে যে আমল করতেন আল্লামা কাশ্মীরি রহ.

-আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ