শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ফেনী জামিয়া ইসলামিয়ায় ৫ দিনব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা বেফাকের ৪৯তম পরীক্ষা শুরু, মোট শিক্ষার্থী তিন লাখ ৭৩ হাজার ‘বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে’ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: আমিরে মজলিস পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪ পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন ইসি গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সক্রিয় চোরাচালান চক্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  গত ছয় মাসে বিমানবন্দর পুলিশ ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রায় ৫০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য আটক করেছে।

এর মধ্যে স্বর্ণের বার, হীরা ও বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়াও রয়েছে কোকেনের মতো মাদক। তবে যা ধরা পড়েছে তা খুবই নগণ্য। প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিদিনই বহু টাকার চোরাচালান হচ্ছে।

বিমানবন্দরের একাধিক সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। চোরাচালান বন্ধের উপায় হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব্যাগেজ ডগস্কোয়াড দিয়ে সুইপিং (পরীক্ষা) করালে চোরাচালান বন্ধ করা সম্ভব।

কারণ হিসেবে তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য চিহ্নিত করার জন্য ডগস্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হয়। আর যেসব দেশের বিমানবন্দরে ডগস্কোয়াড আছে সেসব দেশের বিমানবন্দর চোরাচালানিরা ব্যবহার করেন না বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওই সব কর্মকর্তা জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অনেকটা নিরাপত্তাহীন থাকে। চোরাচালানের সিন্ডিকেটে প্রত্যেকটা সদস্য তাদের ওপর দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে।

বিমানবন্দরে শুধু নিরীহ যাত্রীদের ল্যাগেজ তল্লাশির নামে হয়রানি করা হয়। আর চোরাকারবারিদের ব্যাগেজ নিরাপদে চলে যায়। এক শ্রেণির কর্মকর্তা চোরাকারবারিদের ব্যাগেজ পার করে দিতেও সহযোগিতা করেন। এমন তথ্য পাওয়া যায়।

শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত আরেকজন কর্মচারী জানান, কীভাবে চোরাচালান হচ্ছে আমরা সবই জানি। আমরাও ভাগ পাই, তবে তা খুবই কম।

যারা চোরাচালানির জিনিসপত্র নিয়ে আসে তারা তো কোটি কোটি টাকা আয় করছে। এদিকে বিমানবন্দরে বাইরের অংশে খুবই কড়াকড়িভাবে চেকপোস্টে চেক করা হলেও ভেতরে নোংরা পরিবেশ। বিশেষ করে বাথরুমগুলোতে দুর্গন্ধ থাকে।

অপরদিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সিএএবি’র এরোড্রাম কর্মকর্তা আবু মোহাম্মদ ওমর শরীফ দীর্ঘদির ধরে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত এবং ক্ষমতা অপব্যবহার করে আসছেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে একটি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করে। তদন্তে সত্যতা পেয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রতিবদেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হলেন যুগ্ম সচিব (বিমান) মো. হাবিবুর রহমান। কমিটির দুই সদস্য হলেন সিএটিসি’র পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান মিয়া ও হশাআবি’র সহকারী পরিচালক আবু সাহে মো. খালেদ। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিএ-১ অধিশাখা থেকে একটি আদেশও জারি করা হয়। তবে রহস্যজনক কারণে এই তদন্তের কোনো আলোর মুখ এখনো পর্যন্ত দেখেনি।

আরো পড়ুন- রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ