এমডি হাসান, ওমান থেকে
ওমানে সংবর্ধিত হলেন বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব, ওয়ায়েজ ও লেখক মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ [কুয়াকাটা]।
মারকাযুত তাকওয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা ও মহাপরিচালক মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ গত ৬ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি রাষ্ট্র সফরের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।
দুবাই, ওমান ও কুয়েতের উদ্দেশে সফরে প্রথমে দুবাইতে এক সপ্তাহ ব্যক্তিগত ও দীনি মাহফিল শেষে ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ওমানে প্রবেশ করেন তিনি। ওমানে তাকে রিসিভ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওমান শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মীর আহমাদ মীরু ও সেক্রেটারী মাওলানা মিযানুর রহমান, সাংবাদিক এমডি হাসান, ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম ওমানের সভাপতি হাফেজ মাহবুবুর রহমান-সহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওমান শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও তার ভক্ত অনুরাগীরা।
ওমানের দীপাঞ্চল মাসীরা দিয়ে তার দীনি মাহফিল শুরু হয়। মাস্কট, বিদায়া, মাতরাহ সফর শেষে তিনি ওমানের বাংলাদেশ খ্যাত সালালায় অবস্থান করছেন। সেখানে প্রোগ্রাম শেষে আরো কয়েকদিন ওমানের বিভিন্ন অঞ্চলে সফর শেষে কুয়েত যাবেন।
জানা যায়, ওমানে রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব প্রোগ্রামে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্থানীয় শায়খদের অনুমতিক্রমে প্রোগ্রামগুলি হচ্ছে। প্রচারহীন এ প্রোগ্রামগুলি লোকেলোকারণ্য ছিলো।
মুফতি মিছবাহ তার বয়ানে মানবজীবনে ইসলামের গুরুত্বসহ বাংলাদেশী প্রবাসীদেরও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সুনাম অর্জনের। কীভাবে প্রবাসে বাংলাদেশীদের ইজ্জত ও মান উঁচু হয় সেদিকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এসে গেল যাদুকরী মাদরাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

প্রবাসে অন্যায়, অনিয়ম, ভিসাবিহীন অবস্থান এবং ওমানের হুকুমতের খেলাফ না করার প্রতি জোর দাবি জানান।
ওমানের সুলতানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ওমানের জনগণের যে ভালোবাসা তিনি অর্জন করেছেন, তা বিশ্ব মোড়লদের জন্য একটি উদাহরণ। সুলতানের অসুস্থতায় ওমানের নাগরিকরা দোআর আয়োজন করে, মসজিদে মসজিদে রোনাজারী করে, গরিবদের দান সদকা করে, এর থেকে আমাদের সরকারের শিক্ষা নেয়া উচিত।
জোর করে জনগণের শ্রদ্ধা বা ভà