বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

বাবা ছেলে দুইজনের মনোনয়ন পত্রই বাতিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নড়াইল-২ আসনে নির্বাচনের জন্য বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন সাবেক এমপি আল মারকাজুল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শহিদুল ইসলাম। কথা ছিল সব ঠিক থাকলে তিনি এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তোজার সঙ্গে লড়বে।

কিন্তু ২ ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের দিনে তার মনোয়ন বাতিল করে দিয়েছে ইসি।

এদিকে নির্বাচনের জন্য একই আসনে তার ছেলে মুফতি তালহা ইসলামও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। ইসি তার মনোনয়ন পত্রও বাতিল করে দিয়েছি বলে জানা গেছে।

মুফতি তালহা ইসলাম এ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

জানা যায়, মুফতি শহিদুল ইসলামের দুদকের একটি মামলায় ১০ বছরের সাজা, বিদেশ থাকা এবং স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি তালহা ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে নিয়মানুযায়ী এক শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষরের কাগজপত্র সঠিক ভাবে জমা না দেয়ায়।

নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে তার আসনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।

মুফতি শহীদুল ইসলাম ২০০১ সালের নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ হাজার ২৩৩ ভোটে হেরে যান। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে মুফতি শহিদুল ইসলাম সাংসদ নির্বাচিত হন।

মাশরাফির বিরুদ্ধে লড়বেন মুফতি শহিদুল ইসলাম

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ