বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মির্জা আব্বাসের অশ্রুসিক্ত বক্তব্যে থমকে গেল সংসদ ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধন শাপলা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান যুক্ত হচ্ছে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে সাংবাদিকদের বেতন নিয়মিতকরণের দাবিতে বিএফ‌ইউজে এবং ডিইউজের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ আগামীকাল হারামাইন শরিফাইনে জুমার ইমাম যারা অতি শক্তিশালী এল নিনোর বিষয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ বাইতুল মোকাররমে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান আল-আজহারের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি আলেম ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৫২ বিচারবহির্ভূত হত্যা-মিথ্যা মামলা বন্ধের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা করে দৌড়ান ৮৫ বছরের বৃদ্ধা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নাম তার জিনেট বেদার্দ। বয়স ৮৫। এই বয়সে অন্য নারীরা যেখানে থুত্থুরে বুড়ি বনে যান, সেখানে তিনি প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে দৌড়ান!

জিনেট বেদার্দের ভাষ্য, ‘আমার বয়স হয়েছে। অনেক শোকতাপ এসেছে জীবনে। কিন্তু শুধু দৌড়ানোর সময়টুকুতে আমার মনে হয়, আমি সেই ২০ বছরে আছি।’

এনডিটিভি ও দ্য স্টার অনলাইন বলছে, বছরে ৩৬৫ দিনই রোজ তিন ঘণ্টা করে দৌড়ান জিনেট। তার চাওয়া, বিশ্বের সব চেয়ে বেশি বয়সি নারী হওয়া।

তিনি মনে করেন, ‘দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার জন্য শুধু হাত-পাগুলো কাজে লাগানোই যথেষ্ট। কেননা, শুধু দৌড়ের মধ্যে থাকলেই সব ঠিক থাকে, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে। আর তাই আমি বছরের পর বছর সেটাই করে আসছি নিয়মিত। ফিটনেসও ধরে রেখেছি।’

ফ্রান্সের মেজ শহরে জন্ম বেদার্দের। তবে বেড়ে উঠেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে, ১৯৭০ সালে এখানে আসেন তিনি। বেদার্দ জানান, নিয়মিত দৌড়ালে সুস্থ থাকার জন্য আর কিছুই লাগে না; না ওষুধ, না বিশেষ খাবার।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটিতে একটি দৌড়ের অনুষ্ঠানে জিনেট বলেন, ‘আমার অন্য কোনও বিশেষ প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। কারণ আমি প্রতিদিন তিন ঘণ্টা দৌড়াই। সে জন্য আমি সব সময় অনেক সক্রিয়ও থাকি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একা। আমার স্বামী মারা গেছেন। তারপর থেকে সময় কাটছিল না। একা লাগছিল। অবসরও নিয়ে নিয়েছিলাম। সময় কাটছিল না। তাই দৌড় শুরু করি, প্রতিদিন, নিয়মিত। একসময়ে নেশা হয়ে যায়। প্রতিদিন দৌড়াটা অভ্যাস হয়ে যায়। ভালোই লাগে। বেশ তাজা লাগে নিজেকে। শরীর ও মন, দুই দিক থেকেই।’

এই বৃদ্ধ বয়সে কিশোরীবেলায় কেনা জগিং ড্রেস পরে দৌড়ান জিনেট। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু আমার শরীরের কথা শুনি। বোঝার চেষ্টা করি, ও কী চাইছে। একটা বয়সের পরে আমি অনুভব করি, শরীর সুস্থ রাখতে গেলে আমাকে দৌড়াতে হবে। সেটাই করি।’

প্রাণশক্তির মতোই রসবোধও আছে জিনেটের। হেসে বলেন, ‘একটা প্রেমিক হলে ভালোই হতো। কিন্তু আমার বয়সি পুরুষগুলো তো সব বুড়িয়ে থুত্থুরে হয়ে গেছে, আর আমার থেকে যারা ছোট তারা বউয়ের সঙ্গে বুড়ো হচ্ছে। আমার জন্য কেউ নেই এখন।’

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ